বিভিন্ন শিশু রোগ চিকিৎসা
Child ৫৭ ভিউ

বিভিন্ন শিশু রোগ চিকিৎসা

রোগ সম্পর্কে

শিশুরা হলো একটি বাগানের কুঁড়ির মতো, যাদের বিকাশের জন্য প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। শৈশবে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারা প্রায়ই সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া বা জ্বরের মতো সমস্যায় ভোগে। যেহেতু শিশুদের শরীর অত্যন্ত সংবেদনশীল, তাই কড়া ওষুধের পরিবর্তে মৃদু ও প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা তাদের জন্য নিরাপদ এবং অত্যন্ত কার্যকর। এটি কেবল রোগের উপসর্গ নয়, বরং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা (Homeopathic Treatment)

শিশুর লক্ষণের ওপর ভিত্তি করে প্রচলিত কিছু ওষুধের নাম ও ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো:

রোগের ধরণ কার্যকরী ওষুধ বিশেষ লক্ষণ
পেটে ব্যথা/গ্যাস Colocynth / Mag Phos যদি শিশু পেটে চাপ দিয়ে কাঁদে এবং ভাঁজ হয়ে থাকে।
দাঁত ওঠার কষ্ট Chamomilla শিশু অত্যন্ত খিটখিটে হয়, সবসময় কোলে থাকতে চায়।
সর্দি ও কাশি Aconite / Hepar Sulph হঠাৎ ঠান্ডা লেগে জ্বর বা খুসখুসে কাশি হলে।
কৃমির সমস্যা Cina ঘুমের মধ্যে দাঁত কিড়মিড় করা, নাক চুলকানো এবং খিটখিটে মেজাজ।
শারীরিক দুর্বলতা Calcarea Phos যেসব শিশু দেরিতে হাঁটতে শেখে বা যাদের হাড় দুর্বল।

** হজমের সমস্যা ও পেটে ব্যথা (Colic/Indigestion): নবজাতকদের ক্ষেত্রে দুধ তোলা বা পেটে গ্যাস হওয়া খুব সাধারণ। বড় শিশুদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত খাবার বা বাইরের খাবারের কারণে হজমে গোলমাল দেখা দেয়।

**সর্দি, কাশি ও জ্বর (Cold & Fever): ঋতু পরিবর্তনের সময় শিশুরা দ্রুত ঠান্ডা বা জ্বরে আক্রান্ত হয়।

** দাঁত ওঠার সময়কালীন সমস্যা (Teething Troubles): দাঁত ওঠার সময় শিশুদের পাতলা পায়খানা, মাড়িতে ব্যথা এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়া দেখা দেয়।

**কৃমির উপদ্রব (Worm Infestation): নখ কামড়ানো, রাতে বিছানায় প্রস্রাব করা বা ঘুমের মধ্যে দাঁত কিড়মিড় করা কৃমির লক্ষণ হতে পারে।

শিশুরা সাধারণত যেসব রোগে বেশি আক্রান্ত হয়, সেগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা এবং সাধারণ লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো:

১। নবজাত শিশু না কাঁদিলে একোনাইট ৩০ তিন ঘন্টান্তর। ক্রমাগত কাঁদতে থাকলে সিফিলিনাম ৩০, একমাত্রা ।

২। নবজাত শিশু প্রস্রাব না করিলে একোনাইট ৩০ তিন ঘণ্টা পর পর ।৩ । নবজাত শিশুর পায়খানা প্রস্রাব বন্ধ থাকিলে— একোনাইট ৩০ টি ঘন্টাত্তর । ব্যর্থ হইলে ওপিয়াম ৩০ তিন ঘন্টা পর পর । ৪। নবজাত শিশু মরার মত পড়িয়া থাকিলে ওপিয়াম ৩০ তিন ঘন্টা পর পর । এন্টিমটার্ট ৩০/২০০ আরোগ্যকর ।

৫ । নবজাত শিশুর সর্দি হইলে— ডালকামারা ৩০ তিন ঘন্টা পর পর সর্দির জন্য নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া ডালকামারা (নাক্স, এমনকাৰ, ষ্টিকটা লাইকো, স্যাম্বুকাস)।

৬। নবজাত শিশু নীল বর্ণ হইলে — লরোসিরেসাস ৩x এক ঘন্টাস্তর ।

৭। নবজাত শিশুর শ্বাসরোধ হইলে লরোসিরেসাস ৩০, ১৫/২০ মিঃ অন্তর। ৮। নবজাত শিশু লাল-নীল হইলে – গ্লোনইন ৩০ দুই ঘন্টাস্তর ।

৯। নবজাত শিশুর গলায় বা বুকে ঘড়ঘড়ি আওয়াজ করিলে— এন্টিমটার্ট ৩০ দুই ঘন্টাত্তর। বিফলে কেলিসালফ ৬x । ১০। নবজাত শিশুর নাভী কাটার পর ধনুষ্টঙ্কার হইলে হাইপেরিকাম ২০০ তিন ঘন্টা পর পর (ট্রিকনিনাম হাজার) ।

১১। নবজাত শিশুর নাভী দিয়া রস রক্ত পড়িলে— এব্রোটেনাম ৩০, ক্যালেনডুলা Q পানির সহিত মিশাইয়া নাভী ধুইতে হইবে । নাতী দিয়া প্রস্রাব বাহির হইলে হায়োসিয়েমাস ৩০, দিনে ২ বার।

১২। নবজাত শিশুর মাথায় রক্তপূর্ণ টিউমার হইলে ১২x এক বড়ি দিনে ২ বার। সাইলিসিয়া ২০০, ২/১ ডোজ । ক্যালকে ফ্লোর

১৩। নবজাত শিশু খুব কান্নাকাটি করিলে নাক্স ৬ অথবা ক্যামেমিলা ১২ দুই ঘন্টা পর পর । অথবা ক্যালকে ফস ৩x ১ বড়ি দিনে ৩ বার। সারাক্ষণ কান্নাকাটি করিলে সিফিলিনাম ২০০ থেকে । দিনে

১৪ । নবজাত শিশুর অন্ডকোষে জল জমিলে পালসেটিলা ৩০, ১ বার (এব্রোটেনাম, সাইলিসিয়া সুন্দর ঔষধ) ।[Unreasoning terror in children at Medical Examination or with strangers Tuberculinum - Dr. Shipherd. J

১৫ । নবজাত শিশুর কোরন্ড হইলে এব্রোটেনাম ৩০, অথবা ক্যালকে ফ্লোর ৩০x ১ বড়ি দিনে ১ বার। সাইলিসিয়া হাজার। দিনে ১ বার

১৬। নবজাত শিশুর নীল রোগ— আঁতুর ঘরে বিশুদ্ধ বায়ুর অভাবেই ইহা হইয়া থাকে— ডিজিটেলিস ৬ এক ঘন্টা পর পর। ইহাতে সমস্ত শরীর ঠান্ডা হইয়া গেলে আর্সেনিক ৩০, পাঁচ ঘন্টা পর পর। ১৭।নীল রোগে ল্যাকেসিস ৩০ মন্ত্রের মত কাজ করে। কোন ঔষধে কাজ না করিলে ন্যাজা ৩০, ২ ঘন্টাস্তর। IN.B.- Tuberculinum is a wonderful medicine in indifferent  Dr. D. Shipherd.] ১৮। নবজাত শিশু মায়ের স্তন না টানিলে চায়না ৬ তিন ঘন্টা পর পর অথবা ক্যাঙ্কেফস ১২x, ১ বড়ি দিনে ২ বার। ১৯।শিশু কিছুই না খাইলে সিফিলিনাম ২০০ ব্যবহার্য ।

২০। নবজাত শিশু দুধ না খাইলে-ম্যাগ মিউর ৩০ তিন ঘন্টা পর পর । ২১। নবজাত শিশুর মাথা বড় হইলে আর্ণিকা ৩x তিন ঘন্টাত্তর ।

২২। নবজাত শিশুর নাভী শুকাইবার পরও উঁচু হইয়া থাকিলে নাক্স ৬, দিনে ৩ বার । উপকার না হইলে সালফার ৩০ দিনে ১ বার (৩/৪ দিন সেব্য) । পরে উচ্চ শক্তি ব্যবহার্য ।

২৩ । মাথার সামনের হাড় জোড়া না লাগিলে প্রথমে সালফার ২০০ এক মাত্রা । পনর দিন পরেও উন্নতি না হইলে ক্যাঙ্কে ফস ১২x ১ বড়ি দিনে ২ বার।

২৪। নবজাত শিশুর স্তন ফুলিলে প্রথমে বেলাডোনা ৩ দিনে ৩ বার। পুঁজ পড়লে হিপার ৬. দিনে ২ বার, সপ্তাহ পরে সাইলিসিয়া ৩০, দিনে ১ বার (২/১ ডোজ দিবেন)।

২৫। নবজাত শিশুর চোখে পুঁজ হইলে আর্জ-নাই ৩০, মার্ক-সল ৩০, দিনে ৩ বার অথবা দিনে ১ বার অথবা পালসেটিলা ৩০ দিনে ১ বার। হামের পর এইরূপ হইলে এপিস ৩০, দিনে ১ বার। ২৬। নবজাত শিশুর অরুচি বা অক্ষুধা— নাক্স ৬ তিন ঘন্টাস্তর । সাথে ফেরাম ফস ১২x, ১ বড়ি দিনে ২ বার। এভেনা স্যাট ভাল ঔষধ । ২৭। নবজাত শিশুর দুধ হজম না হইলে – ইথুজা ৬ দুই ঘন্টাস্তর অব্যর্থ ।ইহা ছাড়া নেট্রাম কার্ব ৩০, দিনে ২ বার সুন্দর কাজ করে ।

২৮। নবজাত শিশুকে গোসল করাইতে কানে পানি ঢুকিলে এন্টিমটার্ট ৩০ আর দুধের বোতলের নিপল ঘুমের ঘোরে শিশুর কানের নিকট পড়িয়া কানে দুধ ঢুকিয়া কান পাকিলে রাসটক্স ৩০, দিনে ২ বার (সাইলিসিয়া)।

২৯। নবজাত শিশুর জন্ডিস বা হলদে রোগ — নেট্রাম ফস ১x বিচূর্ণ ১ গ্রেণ মাত্রায় দিনে ২ বার। ইহা ছাড়া চেলিডোনিয়াম Q তিন ফোঁটা মাত্রায় দিনে ২ বার অথবা নেট্রাম সালফ ১২x এক বড়ি দিনে ২ বার সুন্দর কাজ করে । এছাড়া লিউপুলাস হিউমোলাস ৩x ভালো কাজ করে । (ডাঃ বরিক) ।৩০। নবজাত শিশুর কানের ব্যথায় ক্যামোমিলা ১২ দুই ঘন্টাত্তর ।

৩১। নবজাত শিশুর নিদ্রাহীনতায় ক্যামোমিলা ৬ আধ ঘন্টাত্তর । বিদ্রঃ- শিশু মুখে আংগুল দিয়ে থাকে— ক্যাঙ্কে কার্য, ক্যামো, ইপিকাক ৩০ থেকে অন্যান্য শক্তি ।

৩২। নবজাত শিশুর মাথার চুল আঁচড়াইলে বা চুলে হাত দিলে গোছায় গোছায় চুল উঠিয়া গেলে নেট্রাম মিউর ২০০, পনর দিন পর পর ১ মাত্রা । পরে উচ্চ শক্তি সেব্য। শিশুর মাথার চুল সম্পূর্ণভাবে উঠিয়া গেলে এরাঙো ম্যারিট্যানিকা ২০০ সপ্তাহে ১ বার।

৩৩। নবজাত শিশুর মাথায় আদ্র একজিমায় রাসটক্স ২০০ সপ্তাহে ১ বার । কোন কারণে ব্যর্থ হইলে মেজেরিয়াম ২০০ সপ্তাহে ১ বার।

৩৪। শিশু দিবারাত্র ঘ্যান ঘ্যান করে, কোন কিছুতেই শান্তি পায় ন কেবল কোলে উঠিয়া থাকিলেই আরাম পায় লক্ষণে ক্যামোমিলা ৩০, দিনে ৩ বার (ষ্ট্যাফি, টিউবার) ।

৩৫। খিটখিটে মেজাজের শিশুদের বুকে কফে ঘড়ঘড় করলে- ক্যামোমিলা ৩০, দিনে ২ বার সেব্য । (এনটিম টার্ট- -৩০)। ৩৬। শিশু ঘুমে নাক ডাকে চায়না ৩০ থেকে অন্যান্য শক্তি ।

৩৬। শিশু ঘুমাইলে দাঁতে দাঁতে ঘষে, চিৎকার করে, গোঁ গোঁ করে লক্ষে কেলিব্রোম ২০০ তিন দিন অন্তর ১ মাত্রা ।

৩৭। শিশু আহারের পরই ছুটিয়া পায়খানায় যায় লক্ষণে আর্স, ফেরাম আর্জনাইট, ম্যাগ কার্ব অথবা সেনিকিউলা ২০০, দিনে ১ বার।

৩৮। শিশুদের অম্লরোগে নেট্রাম ফস ৬x বা রোবিনিয়া ৩x দিনে ৩ বার। ৬৯। শিশু ঘুমাইবার সময় নাক ডাকে ওপিয়াম বা চায়না ২০০, দিনে ১ বার।

৩৯। শিশুদের মুখে ক্ষত রোগে ইউপেটোরিয়াম এরোমেটিকাম ৬x বা বোরাক্স ৩০. দিনে ৩ বার (মার্কসল, নাইট্রিক এসিড ভাল ঔষধ)।

৪০। শিশুর কানে চটাঘায়ে আঠালো রস নির্গত হইলে গ্রাফাইটিস ৩০ আর পাতলা রস হইলে পেট্রোলিয়াম ৩০, দিনে ১ বার।

৪১। শিশুর শরীর হইতে ভয়ানক টকগন্ধ বাহির হইলে ম্যাগ-কার্ব ২০০, সপ্তাহে ১ বার (ইহাতে হিপার, রিউম, ক্যাঙ্কে-কার্ব ইত্যাদি যে কোন একটি ব্যবহার করা যায়)।

৪২। শিশুর শরীর হইতে দুর্গন্ধ বাহির হইলে সালফার বা সোরিণাম হাজার ১৫ দিন অন্তর ১ মাত্রা।

৪৩। শিশুদের মুখে ক্ষত রোগে ইউপেটোরিয়াম এরোমেটিকাম এর ব বোরাক্স ৩০, দিনে ৩ বার (মার্কসল, নাইট্রিক এসিড ভাল ঔষধ)। ৪৪। শিশুর কানে চটাঘায়ে আঠালো রস নির্গত হইলে গ্রাফাইটিস ৩০আর পাতলা রস হইলে পেট্রোলিয়াম ৩০,দিনে ১ বার।

৪৫ । শিশুর শরীর হইতে ভয়ানক টগন্ধ বাহির হইলে ম্যাগ-কার্ব ২০০, সপ্তাহে ১ বার (ইহাতে হিপার, রিউম, ক্যাল্কে-কার্ব ইত্যাদি যে কোন একটি ব্যবহার করা যায়)। ৪৬। শিশুর শরীর হইতে দুর্গন্ধ বাহির হইলে সালফার বা সোরিণাম হাজার ১৫ দিন অন্তর ১ মাত্রা।৪৭। যে শিশু অতিরিক্ত দুধ মিষ্টি খায় তাহাদের যাবতীয় পেটের পীড়ায় নেট্রাম ফস x দুই বড় দিনে ৩ বার। শিশু খুব মিষ্টি প্রিয়, মিষ্টি দেখিলেই খাইতে চায় লক্ষণে সালফার ২০০, সপ্তাহে ১ বার, মাসান্তে হাজার ১ মাত্রা। এই লক্ষণে আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম ২০০, তিন দিন অন্তর ১ মাত্রা দেওয়া যায় ।

৪৮।লবণ প্রিয় শিশুর বেলায় নেট্রাম মিউর ২০০ হইতে উচ্চশক্তি । ৪৯। শিশুর মেনিনজাইটিসে জিঙ্কাম সায়ানেটাস ৩০ দিনে ২ বার । এপিস ৩০ ইঁহার উৎকৃষ্ট ঔষধ (নিদ্রার শিশুর চিৎকার লক্ষণে) দিনে ৩ বার ব্যবহার্য।

৫০। শিশু সারাক্ষণ মুখে আঙ্গুল দিয়ে থাকে লক্ষণে ক্যাঙ্কে কার্য হাজার সপ্তাহে ৫১। শিশু কুকুরের ভয়ে ভীষণ জড়সর হইলে টিউবারকুলিনাম হাজার, মাসে ১ বার (২/৩ মাসের মত)। ৫২। শিশুদের দাদ রোগে ব্যাসিলিনাম ২০০, সপ্তাহে ১ বার।

৫২। শিশু কোল, খাট বা দোলনা হইতে পড়িয়া আঘাত পাইলে আর্ণিকা ৩০, তিন ঘন্টা পর পর (৪/৬ ডোজ), তবে মাথার আঘাত পাইলে প্রথমেই হাইপেরিকাম। তাহার কৃষ্ণলে পরে নেট্রাম সালফ ২০০ হইতে উচ্চ শক্তি ১ বার।

পরামর্শ ও সতর্কতা:

১. শিশুদের ওষুধের মাত্রা (Dosage) সব সময় কম হওয়া উচিত। সাধারণত গ্লোবিউলস বা বড়ির মাধ্যমে দেওয়া নিরাপদ। ২. মা-বাবাকে শিশুর আচরণ এবং ছোটখাটো পরিবর্তনের দিকে নজর রাখতে হবে, কারণ শিশুরা নিজের সমস্যার কথা বলতে পারে না। ৩. গুরুতর সমস্যার ক্ষেত্রে বা সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডিএইচএমএস (DHMS) ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

রোগ সম্পর্কিত প্রশ্ন

শিশুর কৃমি হলে কি কেবল ওষুধের ওপর নির্ভর করা উচিত?

ওষুধের পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত জরুরি। শিশুর নখ ছোট রাখা, খাওয়ার আগে হাত ধোয়া এবং বাইরের খোলা খাবার পরিহার করা উচিত। এর সাথে Cina জাতীয় হোমিও ওষুধ কৃমি নির্মূলে দারুণ কাজ করে।

নবজাতকদের 'পেট কামড়ানো' বা গ্যাস হলে করণীয় কী?

নবজাতকরা অনেক সময় সন্ধ্যার দিকে একটানা কান্নাকাটি করে (Infantile Colic)। এক্ষেত্রে Colocynth বা Mag Phos ঈষদুষ্ণ জলে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশু দ্রুত শান্ত হয়।

সর্দি-কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প হিসেবে হোমিওপ্যাথি কি কাজ করে?

সাধারণ সর্দি-কাশি বা ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি অত্যন্ত কার্যকর। এটি শরীরের ভেতর থেকে ভাইরাসের সাথে লড়াই করার শক্তি যোগায়, যা অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়। তবে তীব্র নিউমোনিয়া বা শ্বাসকষ্টের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রোগ

এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন

আপনার কি আমাদের সাহায্য প্রয়োজন ?

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত

যোগাযোগ করুন