শিশুর ঘামাচি
All ৩১ ভিউ

শিশুর ঘামাচি

রোগ সম্পর্কে

শিশুর ঘামাচি

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

শিশুর ঘামাচি দূর করার উপায়

১. ত্বক ঠান্ডা রাখা: শিশুকে যতটা সম্ভব ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখুন। গরমে ঘেমে গেলে ঘামাচি বাড়ে। ২. গোসলের নিয়ম: প্রতিদিন কুসুম গরম পানিতে শিশুকে গোসল করান। সাবান ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিশুদের উপযোগী মৃদু বা বেবি সোপ ব্যবহার করুন। গোসলের পর তোয়ালে দিয়ে ঘষে না মুছে আলতো করে চেপে পানি শুকিয়ে নিন। ৩. ঢিলেঢালা সুতির পোশাক: শিশুকে সবসময় হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরাবেন। সিন্থেটিক বা নাইলন কাপড় এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো শরীর থেকে ঘাম দূর হতে দেয় না। ৪. শুষ্ক রাখা: শিশুর শরীর ঘেমে গেলে সাথে সাথে নরম সুতির কাপড় দিয়ে মুছে দিন। ৫. প্রাকৃতিক প্রতিকার: ঘামাচির জায়গায় ক্যালামাইন লোশন (Calamine Lotion) ব্যবহার করা যেতে পারে, যা ত্বককে ঠান্ডা রাখে। তবে কোনো পাউডার বা ক্রিম লাগানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো, কারণ পাউডার ঘামগ্রন্থির ছিদ্র বন্ধ করে সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। ৬. পরিমাণমতো পানি: শিশু যদি বড় হয় (৬ মাসের বেশি), তবে তাকে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার দিন যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না হয়।

যা করবেন না

  • ঘামাচির ওপর তেল, অতিরিক্ত ক্রিম বা লোশন দেবেন না। এগুলো ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করে দেয়।

  • শিশুকে বারবার চুলকানো থেকে বিরত রাখুন। এতে ক্ষত তৈরি হয়ে সংক্রমণের (Infection) ঝুঁকি বাড়ে।

নবজাত শিশুর গায়ে মাসীপিসীতে (ঘামাচির মত ছোট সুক্ষার উদ্ভেদ) ব্রায়োনিয়া ৬, দিন ৩ বার। সপ্তাহ পরে সালফার ৩০, দিনে ১ বার (২ দিন মাত্র)।

 

নবজাত শিশুর ঘামাচি— শরীর আবৃত রাখার জন্য হইলে ক্যামোমিলা ১২, দিনে ২ বার। ঠান্ডা লাগিয়ে হইলে ডালকামারা ৩০, দিনে ২ বার। ঘামাচি রসপূর্ণ হইলে রাসটক্স ৬, দিনে ৩ বার।

 

ইহাতে খুব চুলকানি হইলে সালফার ৩০, দিনে ১ বার। গরমের দিনে ঘামাচিতে কেলি আর্স ৩০, দিনে ১ বার (২/৪ দিন সেব্য)। ২৯। নবজাত শিশুর গায়ে ফোস্কার মত উদ্ভেদ উঠিলে মার্কসল বা রাসটক্স ৩০, বার। দিনে ১ বার অথবা কেলি সালফ ১২x ১ বড়ি দিনে ২ বার।

রোগ সম্পর্কিত প্রশ্ন

শিশুর ঘামাচিতে কি হোমিওপ্যাথি ওষুধ দ্রুত কাজ করে?

হ্যাঁ, সঠিক ওষুধ নির্বাচনে হোমিওপ্যাথি শিশুর ত্বকের প্রদাহ কমাতে বেশ কার্যকর। বিশেষ করে ঘামাচির কারণে যদি শিশু অতিরিক্ত অস্বস্তি বোধ করে বা চুলকায়, তবে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সেই কষ্ট দ্রুত কমিয়ে আনতে পারে।

শিশুর ত্বকে কি সরাসরি ওষুধ লাগানো যায়?

হোমিওপ্যাথিতে সাধারণত খাওয়ার ওষুধই প্রধান। ত্বকের সমস্যার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কোনো মলম বা ক্রিম ব্যবহারের চেয়ে চিকিৎসকরা শিশুকে খাওয়ানোর ড্রপ বা বড়ি দিতেই বেশি পছন্দ করেন। তবে কোনো কিছু ত্বকে লাগানোর আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

প্রস্তাবিত ওষুধ

মোট 2টি ওষুধ

হোসনেআরা হিমু

হোমিও বিশেষজ্ঞ

ডা. হোসনে আরা একজন অভিজ্ঞ ও সেবাপরায়ণ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। তিনি...

শেয়ার করুন

আপনার কি আমাদের সাহায্য প্রয়োজন ?

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত

যোগাযোগ করুন