হাঁচি
All ১৫ ভিউ

হাঁচি

রোগ সম্পর্কে

হাঁচি

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

হাঁচি-১। একবার হাঁচি আরম্ভ করিলে ক্রমান্নয়ে কিছুক্ষণ হাঁচি হইতে থাকে লক্ষণে এগারিকাস মাস্কেরিয়াস ২০০, দিনে ২ বার। ২। সকালে বিছানা হইতে উঠিবার পরই অত্যন্ত হাঁচি হইতে থাকে (সেই সাথে কাশি ও নাকে তরল সর্দি থাকিতে পারে) লক্ষণে আর্সেনিক আইওড ২০০ হইতে উচ্চতর শক্তি। ৩। অতিরিক্ত হাঁচি হওয়া লক্ষণে টিউবার বভিনাম হাজার হইতে উচ্চশক্তি মন্ত্রের মত কাজ করে। ইহা ছাড়া ইন্ডিয়ম ৩০, দিনে ৩ বার আশাতীত ফল দেয়। ৪। সকালে খুব হাঁচি হইতে থাকে, সেই সাথে নাক ও চোখ দিয়া জল পড়ে এমোনিয়াম ফসফোরিকাম ৩০, দিনে ৩/৪ বার ব্যবহার্য । ৫। হাঁচির প্রবণতায় সেবাডিলা ২০০, দিনে ১ বার সুন্দর কাজ করে । ৬। সকালে শয্যা ত্যাগে বৃদ্ধি হলে এলিয়াম সেপা ৩০। ঠান্ডায় ও ধূলাবালিতে বৃদ্ধি নেট্রাম আর্স ২০০ থেকে অন্যান্য শক্তি । ঘর ও বিছানা ঝাড় দিতে হাঁচি হলে নেট্রাম আর্স। ৮। গরমে বৃদ্ধি হলে নাক্স । ৯। সকালে ৯/১০টা পর্যন্ত বাড়লে নাক্স, কষ্টি, সাইলি, নেট্রাম আর্স। ১০। বিকালে ৰাড়ে-অরাম ট্রিফাই, মার্কসল, সিফিলিনাম । ১৩। ঘরের মধ্যে বাড়ে (খোলা বাতাসে কমে) এলিয়াম সিপা, পালস, আর্স, নাক্স। ১৪। খোলা বাতাসে বাড়ে-সেবাডিলা। ঘরে কমে সেবাডিলা। ১৫। জলের মত প্রবহমান সর্দি সহ হাঁচি-নেট্রাম আর্স, আর্স আয়োড, অরাম ট্রি. সেবাডিলা, এলি সিপা। ১৬। ঠান্ডায় কমে- আয়োডিন, পালস । ১৭ নাক বন্ধসহ-নাক্স লাইকো, এমন কার্ব, অরাম ট্রি, স্যাম্বুকাস। ১৮ অবিরত হাঁচি-সেবাডিলা, আর্স আয়োড (নাকে সুড়সুড়ি থাকে)

সকালে সর্দিসহ হাঁচি-ক্যাল্কে-আর্স, নেট্রাম-মিউর

 

(দুপুরে বেশী বেড়ে যায়)। পালসেটিলা (বিকালে বৃদ্ধি), এলিয়াম সিপী (গরম ঘরে বৃদ্ধি), আয়োডিয়াম (গরম ঘরে বৃদ্ধি), কেলি আয়োড (খোলা বাতাসে আরাম), আর্সেনিক (গরমে আরাম), আর্স- আয়োড (গরম ঘরে বৃদ্ধি), সাইলিসিয়া।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন