হাম জ্বর
All ১৫ ভিউ

হাম জ্বর

রোগ সম্পর্কে

হাম জ্বর

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

প্রথম থেকে বায়োকেমিক ফেরাম ফস ও কেলি-মিউর পর্যায়ক্রমে ব্যবহার্য (২ বড়ি) । নাক চোখ দিয়ে পানি পড়াসহ হাঁচি থাকিলে নেট্রাম মিউর ৬x পূর্বের ঔষধের সাথে যোগ করবে। ২। গোটা বসে গেলে ফেরাম ফস ও কেলি সালফ ৬x ব্যবহার করবে । ৩। গোটা বের হতে দেরী হলে কেলি সালফ ৬x ব্যবহার করবে। ৪। পীড়া আরোগ্যান্ডে ক্যালকে ফস ১২x ব্যবহার করবে । *৫। হামের জ্বরে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মবিলিনাম ৩০, দিনে ২/৩ বার ব্যবহারে আর কোন ঔষধের দরকার হয় না। ৬। হাম ভালভাবে উঠিলে ব্রায়োনিয়া ৩০, দিনে ৩/৪ বার সেব্য, পরে রাসটক্স ৩০ ব্যবহার্য। ৭। হামের সাথে নিউমোনিয়া দেখা দিলে চেলিডোনিয়াম তিন ঘন্টাত্তর, ব্রঙ্কাইটিস হলে এন্টিমটার্ট ব্যবহার্য। ৮। হুপিং কাশির পর হাম হলে এবং তার পর নিউমোনিয়া বা ব্রডাইটিস হলে চেলিডোনিয়াম আরোগ্য করে। ৯। হাম সহ স্বরভঙ্গে স্পঞ্জিয়া ৩০। ১০। হামের পর স্বরভঙ্গ হলে ব্রায়ো, ড্রসেরা। কাশিতে ঠিকটা (শুকনা কাশি) পালস (তরল কাশি) টিউবার বভি। কান পাকা বা অন্য যে কোন কুফলে কার্বোভেজ। হামের সাথে কান ব্যথা বা উদরাময়ে পালস ৩০ চার ঘন্টান্তের ।

 

*ডাঃ ক্লার্ক হামে বেলেডোনা 30 ও মর্বিলিনাম 30 পর্যায়ক্রমে ব্যবহারে সুন্দর ফল লাভ হয় বলে উল্লেখ করেছেন। হাম আরোগ্য হবার সময় গায়ে চুলকানি দেখা দিলে এক মাত্রা সালফার।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন