হঠাৎ পাতলা পায়খানা
তরল খাবার: ডাবের পানি, ভাতের মাড়, চিঁড়ার পানি বা ফলের রস (বাড়িতে তৈরি)।
সহজপাচ্য খাবার: জাউ ভাত, সেদ্ধ আলু, কলা, আপেল বা দই। দই পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।
যা এড়িয়ে চলবেন: দুধ, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, কাঁচা শাকসবজি, বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং ক্যাফেইন।
পায়খানার পর সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন, যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে।
প্রচণ্ড পানিশূন্যতা: যদি চোখ কোটরে ঢুকে যায়, মুখ শুকিয়ে যায়, অনেকক্ষণ প্রস্রাব না হয় বা কান্না করার সময় চোখের পানি না আসে।
রক্ত বা মিউকাস: পায়খানার সাথে যদি রক্ত বা অতিরিক্ত মিউকাস (শ্লেষ্মা) যায়।
উচ্চ জ্বর: যদি শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে।
অব্যাহত বমি: যদি বমির কারণে স্যালাইন বা ওষুধ কোনো কিছুই পেটে না থাকে।
অত্যধিক দুর্বলতা: রোগী যদি নিস্তেজ হয়ে পড়ে বা কথা বলতে কষ্ট হয়।
কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন? (ঝুঁকির লক্ষণ)
যদি নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন:
হঠাৎ পাতলা পায়খানা— কোন কারণে হঠাৎ পাতলা পায়খানা হতে থাকলে চায়না Q বা পড়োপাইলাম Q পাঁচ ফোঁটা পানিতে মিশিয়ে প্রত্যেকবার পায়খানার পর ১ চামচ খাওয়াবেন। অথবা ২। বায়োকেমিক ফেরামফস ও নেট্রামফস ৬x ২ বড়ি করে দিবেন । ৩ পেটে ব্যথা ও বমি থাকলে ইপিকাক ৩x ব্যবহার্য। প্রয়োজনে বায়োকেমিক ম্যাগফস ৬x দিতে পারেন। পরে আমাশয়ের লক্ষণ আসলে এলো ৩০, ৩ ঘন্টাস্তর ব্যবহার্য। পথ্য- ডাবের জল, সেলাইন, কাঁচা কলার ঝোলসহ নরম ভাত ।
রক্ত আমাশয় দেখা দিলে মার্কসল ৩০, ১ ঘন্টাত্তর অথবা ফেরাম ফস ৩x পানিতে মিশিয়ে আধ ঘন্টাস্তর সেব্য । পথ্য ছানার জল, কচা কলার ঝোল, নরম ভাত, চিড়া সিদ্ধ ।
না, এটি করা উচিত নয়। হোমিওপ্যাথিতে রোগের নামের চেয়ে লক্ষণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন: আপনার কি পেটে ব্যথার পর পায়খানা হচ্ছে? নাকি খাওয়ার সাথে সাথেই হচ্ছে? একেকটি উপসর্গের জন্য আলাদা আলাদা ওষুধ থাকে (যেমন: Podophyllum, Arsenic Album, বা Aloe)। তাই একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ কেনা ঠিক হবে না।
এটি একটি ভুল ধারণা। সঠিক লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন করা হলে তীব্র বা হঠাৎ হওয়া সমস্যায় (Acute illness) হোমিওপ্যাথি বেশ দ্রুত কাজ করতে পারে। তবে সমস্যা যদি অনেক পুরনো হয় (Chronic), তবে সময় বেশি লাগতে পারে।
হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবনের অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে এবং পরে কিছু না খাওয়া ভালো। বিশেষ করে কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন, কফি বা তীব্র গন্ধযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ এগুলো অনেক সময় ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন