শিশুর বমি
All ১৫ ভিউ

শিশুর বমি

রোগ সম্পর্কে

শিশুর বমি

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

শিশুর বমি বা দুধ সহ্য না হওয়া— ১। শিশুর বমি বমি ভাব, কিছু খাইবার পরই বমি হয়, দুধ পান করিবার পরই জমাট দুধ (মলও দধির ডেলার মত) ইহার পর আর দুধ পান করিতে চায় না। শিশুর মেজাজ খিটখিটে (কাহারো দৃষ্টি পর্যন্ত সহ্য করিতে পারে না। জিহবা সাদা ইত্যাদি লক্ষণে এন্টিমক্রুড ৩০, দিনে ৩ বার। ২। শিশু দুধ যেমন খাইয়াছিল ঠিক তেমন অবস্থায় প্রবল বেগে নাক মুখ দিয়া দুধ উঠিয়া যায় অথবা দুধ পানের পর ছানা কাটা দধির ডেলার মত বমি করে (তবে বমি বমি ভাব থাকে না) বমির পর শিশু দুর্বল হইয়া যায়, ঘুমাইয়া পড়ে এবং জাগিয়া পুনরায় দুধ খাইতে চায় ইত্যাদি লক্ষণে ইথুজা ৩০, দিনে ৩ বার। ৩। শিশুর টক গন্ধযুক্ত বমনে রোবিনিয়া ৩০, দিনে ৩ বার। ৪। শিশুর বমনের সহিত তড়কা (খেঁচুনি) থাকিলে ইথুজা ৬ দুই ঘন্টা পর পর। ৫। শিশু টক গন্ধযুক্ত ছানাকাটা বমি করিলে ক্যাঙ্কে কার্ব ৩০, দিনে ৩ বার। ৬। জমাট বাঁধা দুধ বা ছানা কাটা বমি করিলে ভ্যালেরিয়েনা ৩x দুই ঘন্টা পর পর । ৭। শিশুর অবিরত গা বমি বমি লক্ষণে ইপিকাক ৩০ তিন ঘন্টাত্তর । ৮ । দধির মত ঢাকা বমনে স্যানিকিউলা ৩০, দিনে ২ বার (খিটখিটে মেজাজী শিশু)। দুধ পান করা মাত্রই বমি করিলে আর্সেনিক ৩০, ২০০ । ৯। দুধ পান করার ৫/১০ মিনিট পরে বমি করিলে ফসফরাস। ১০। মোটা ও অস্থির শিশু, মাথায় ঘাম হইলে ক্যাল্কে-আর্স ।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন