প্রস্রাব সংক্রান্ত
All ১৪ ভিউ

প্রস্রাব সংক্রান্ত

রোগ সম্পর্কে

প্রস্রাব সংক্রান্ত

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

প্রস্রাব সংক্রান্তপ্রসাব সংক্রান্ত ঃ প্রস্রাব বা বাহ্যের পর বা হাঁটার সময় ফোটা ফোঁটা প্রস্রাব পড়িলে সেলিনিয়াম হাজার বা খুজা ২০০, সপ্তাহে ১ মাত্রা অথবা বার্বারিস ভালগে ২০০, তিন দিন পর ১ মাত্রা কিংবা ট্যাফিসেগ্রিয়া হাজার, সপ্তাহে ১ মাত্রা। প্রস্রাবের পর যদি মনে হয় যে, অধিক প্রস্রাব যেন মূত্র থলিতে রহিয়াছে লক্ষণে নেট্রাম মিউর ২০০, সপ্তাহে ১ বার। পরে উচ্চশক্তি ব্যবহার্য। *প্রস্রাবের ধারা চিকন (বা বিভক্ত) ধীরে ধীরে প্রস্রাব হয় লক্ষণে ধুজা বা কষ্টিকাম ২০০. পনর দিন পর পর ১ মাত্রা, পরে উচ্চশক্তি।

*প্রস্রাব খুব ক্ষীণ ধারায় ধীর গতিতে বাহির হইলে কষ্টিকাম, ষ্ট্যাফি, (অর্নিকা, ক্লিমেটিস, সার্সাপেরিলা) যে কোন ১টি ২০০, দিনে ১ বার। *বসা অবস্থায় ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব পড়লে সার্সাপেরিলা। দিনে-রাত্রে ফোঁটা ফোঁটা করে প্রস্রাব ঝড়লে টারনেরা ২x তিন ফোঁটা দিনে ৪ বার খাবে কিংবা ভার্বাসকাম Q, ১ ফোঁটা গরম পানির সাথে দিনে ৪ বার খাবে। ঘন ঘন প্রস্রাব করা-১। দিনের বেলায় এই রোগে রাসটক্স ২০০, দিনে ১ বার সুন্দর কাজ করে। ২। রাত্রের বেলায় হইলে প্লান্টাগো, রাস এরোমেটিকা, ভারবাসকাম, কষ্টিকাম, স্যাবাল সেরু, লাইকো, মেডোরিনাম, সিপিয়া, সালফার (ডাঃ বরিক এসিড ফস-যে কোন একটি ১০০০, সপ্তাহে ১ বার, পরে উচ্চশক্তি । ৩ ঘন ঘন প্রস্রাব এবং এই জন্য রাত্রে (রাত্রে ১০/১২ বার, দিনে ১৫-৩০ মি. অন্তর প্রস্রাব করিতে হয়) নিদ্রার ব্যঘাত ঘটে লক্ষণে সেবাল সেরুলেটা ২x, চার ফোঁটায় মাত্রা দিনে ৩/৪ বার (ডাঃ ক্লার্ক) । 8 ১০/১৫ মি. পর পর প্রস্রাবের বেগ হলে মার্কসল ৩০ দিনে ২ বার খাবে। নিরন্তর প্রস্রাবের বেগ হলে মার্কসল ৩০, দিনে ২ বার খাবে। নিরস্তর প্রস্রাবের বেগ-প্যারাইরা, এনাথেরাম ৩x, কোপেইভা ৩০, দিনে ৩/৪ বার সেব্য । ১৭। অনৈচ্ছিক ঘন ঘন মূত্রবেগ- ১। দিনের বেলায় এই রোগে এসিড ফস হাজার সপ্তাহে ১ বার, পরে দশ হাজার। ২। রাত্রের বেলায় সালফার (ডাঃ বরিক) অথবা কষ্টিকাম ২০০, সপ্তাহে ১ মাত্রা, পরে উচ্চশক্তি। প্রস্রাব পাইলে আর দাঁড়াইতে পারে না বা বিলম্ব সহ্য হয় না, তৎক্ষণাৎ প্রস্রাব নির্গত হইয়া পরে লক্ষণে খুজা, ক্রিয়োজোট (কষ্টিকাম) ২০০ হইতে উচ্চশক্তি সেবা । কেলিফস ৬x, ৪ বড়ি দিনে ২ বার ।পায়খানা এবং প্রস্রাব করার সময় প্রচুর কোঁথ দিতে হয়- এলুমিনা ৩০, দিনে ২ বার সেব্য ।

 

ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব-১। প্রস্রাবের পর ফোঁটা ফোঁটা হয়—আর্জনাই, কষ্টিকাম, ক্লিমেটিস, সেলিনিয়াম, প্রস্রাব প্যারাইরারাতা। ২। অনবরত প্রস্রাব ফোঁটা ফোঁটা ঝরতে থাকে ভারবাসকাম Q, ৫ ফোটা দিনে ২ বার, রাস এরোমেটিকা ৩০, দিনে ২/৩ বার। ক্লিমেটিস ২০০ রোজ ১ বার। ৩। প্রস্রাব দুই নালে/ধারায় নির্গত হয়-আর্জনাই, ক্যান স্যার্ট, খুজা ২০০ থেকে ব্যবহার্য । প্রস্রাব করার সময় অনুভূতির অভাব কষ্টিকাম ২০০ থেকে ৪। প্রস্রাবের পর মনে হয় ২/১ ফোঁটা প্রস্রাব বের হয়ে গেল বা মূত্রনালী দিয়ে গড়িয়ে কি যেন আসছে-খুজা, কেলিবাই, ভালগেরিস ২০০ থেকে ব্যবহার্য । ৫ । বৃদ্ধদের ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব কোনিয়াম, কোপেইভা। ৬। আকস্মিক ও দুর্দম্য প্রস্রাবের বেগ-কষ্টিকাম, পেট্রোসেলিনাম

 

৭। প্রস্রাবের বেগ পেলে যেতেই হবে খুজা ২০০ থেকে। সব সময় প্রস্রাবের বেগ লেগে থাকে ইকুইজিটাম ৩০। ৮। প্রস্রাবের বেগ সামলান যায় না ক্রিয়োজোট ৩০। ৯। প্রস্রাব কালে প্রস্রাব আটকে থাকা---কষ্টিকাম ২০০ থেকে । ১০। ঘন ঘন ও পরিমানে বেশি প্রস্রাব হয় কষ্টিকাম। ১১। প্রস্রাব নির্গত হওয়ার পূর্বে বহুক্ষণ যাবৎ জোর দিতে হয় নতুবা প্রস্রাব বাহির হয় না- চিমাফিলা, লাইকো, প্রুনাসস্পিনোজা ৬x, ২/১ ঘন্টাত্তর। ১২। প্রস্রাব ধীরে ধীরে আসে কোঁথ দিতে বাধ্য হয়-এলুমিনা, লাইকোপডিয়াম। ১৩। শিশুদের খেলার সময় ফোঁটা ফোঁটা করে প্রস্রাব ঝড়ে ফেরাম মেট ৩০, দিনে ১ বার । হাঁটার সময় ফোটা ফোটা করে প্রস্রাব পড়ে সেলিনিয়াম, বসার সময়-সার্সাপেরিলা । ১৪। এলবুমেনিউরিয়া-প্রতি ঘন্টাস্তর প্রস্রাব করে ক্যাঙ্কে আর্স ৩০ থেকে।১৫ । খুব আওয়াজে প্রসাব নির্গত হয় সার্সাপেরিলা ২০০ থেকে (ডাঃ কেন্ট) ।

 

১৬।প্রস্রাবে পিত্ত থাকে-নেট্রাম সালফ, চিয়ানোথাস Q / ১x / চিওনানথাস,

 

১৭। প্রস্রাবে পিত্ত ও চিনি থাকে-চিয়ানোথাস, চিওনানথাস

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন