স্তনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
স্তনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বা বড় হয়ে যাওয়া (যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় Gynecomastia পুরুষদের ক্ষেত্রে এবং Macromastia বা Hypertrophy নারীদের ক্ষেত্রে বলা হয়) বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এটি শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক অস্বস্তিরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
এর প্রধান কিছু কারণ ও করণীয় নিচে আলোচনা করা হলো:
হরমোনের পরিবর্তন: শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং অ্যান্ড্রোজেন হরমোনের ভারসাম্যের অভাব হলে স্তনের টিস্যু বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি বয়ঃসন্ধিকালে বা বার্ধক্যে বেশি দেখা যায়।
ওজন বৃদ্ধি: শরীরের চর্বি বা ফ্যাট বেড়ে গেলে স্তনের আকার বড় হতে পারে (Pseudogynecomastia)।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ (যেমন: উচ্চ রক্তচাপ, বিষণ্নতা বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ) হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
শারীরিক সমস্যা: লিভারের রোগ, কিডনি সমস্যা বা থাইরয়েডের ভারসাম্যহীনতার কারণেও এমন হতে পারে।
জেনেটিক কারণ: বংশগত কারণেও অনেকের স্তনের গঠন স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হতে পারে।
যদি নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে দেরি না করে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (Endocrinologist বা General Surgeon) পরামর্শ নেওয়া উচিত:
স্তনে কোনো শক্ত চাকা বা লাম্প (Lump) অনুভব করলে।
স্তনে ব্যথা বা স্পর্শ করলে অস্বস্তি হলে।
নিপল বা বোঁটা দিয়ে তরল বা রক্ত নির্গত হলে।
খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করলে।
সুষম খাদ্য ও ব্যায়াম: ওজন কমানোর মাধ্যমে অনেক সময় স্তনের বাড়তি মেদ কমানো সম্ভব। বিশেষ করে চেস্ট বা বুকের পেশির ব্যায়াম (যেমন: পুশ-আপ) এক্ষেত্রে সহায়ক।
জীবনযাত্রা পরিবর্তন: ধূমপান বা অ্যালকোহল ত্যাগের মাধ্যমে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়।
চিকিৎসা: যদি এটি কোনো রোগের কারণে হয়, তবে মূল রোগের চিকিৎসা করলে স্তনের আকার স্বাভাবিক হয়ে আসে। গুরুতর ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা হরমোন থেরাপি বা সার্জারির (Reduction Mammoplasty) পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
স্তনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ক্যাঙ্কে-কার্ব, পালসেটিলা হাজার, সপ্তাহে ১ বার অথবা এসাফিটিডা হাজার, সপ্তাহে ২ বার সেবনীয়। চিমাফিলা সুন্দর কাজ দেয়।
বিঃ দ্রঃ-যুবতী মেয়ে কিংবা স্ত্রীলোক যার পেটে ছেলে নাই অথচ স্ত দুধে ভরিয়া উঠে তাহাদের সাইক্লামেন ২০০, দিনে ১ বার অথবা পালস ২০০ বা এসাফিটিডা ২০০, দিনে ১ বার কিংবা ল্যাকক্যান ২০০, দিনে ১ মাত্রা । *স্তনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে চিমাফিলা অ্যাম্বেলেটা Q পাঁচ ফোঁটা দিনে ২ বার।
স্তনদুগ্ধ-অবিবাহিত মেয়েদের স্তনে দুধ আসলে পালস ও ল্যাকক্যান ব্যবহারে দুধ শুকিয়ে যায়। ছেলেদের স্তনে দুধ আসিলে মার্কসল ব্যবহার্য। স্তনের অগ্রভাগ বা বোঁটায় ক্ষত বা ফাটা হলে ক্যাষ্টর ইকুই ৬/১২ সুন্দর কাজ করে । এই ক্ষেত্রে গ্রাফাইটিস ভাল ঔষধ ।
উত্তর: এর প্রধান কারণ হলো শরীরের হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিবর্তন। এছাড়া অতিরিক্ত ওজন, বংশগত কারণ এবং কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলেও এটি হতে পারে।
উত্তর: সাধারণত তিনটি পর্যায়ে এটি বেশি দেখা যায়: নবজাতক অবস্থায় (মায়ের হরমোনের প্রভাবে), বয়ঃসন্ধিকালে (হরমোন পরিবর্তনের কারণে) এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ বা নারীদের ক্ষেত্রে।
উত্তর: যদি স্তনের বৃদ্ধি কেবল অতিরিক্ত চর্বি বা ফ্যাটের কারণে হয়, তবে নিয়মিত চেস্ট এক্সারসাইজ (যেমন: পুশ-আপ, ডাম্বেল প্রেস) এবং কার্ডিও ব্যায়ামের মাধ্যমে আকার কমানো সম্ভব। তবে এটি যদি টিস্যু বৃদ্ধির (Gynecomastia) কারণে হয়, তবে শুধু ব্যায়ামে পুরোপুরি ফল নাও মিলতে পারে।
মোট 4টি ওষুধ
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন