যৌন সঙ্গমে অনিচ্ছুক (মহিলা)
মহিলাদের যৌন সংগমে বিতৃষ্ণা-এগনাস ক্যাসটাস Q. সিপিয়া। ৭। মহিলাদের যৌনজীবন বিপর্যস্ত, সংগমেচ্ছা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত লক্ষণে ওনোসমোডিয়াম ৩০, দিনে ২/৩ বার সেবা।
ইহাতে টার্নেরা (Q জলের সাথে ১০-৪০ ফোঁটা মাত্রায় সেবা) ভাল ঔষধ।
স্ত্রী লোকদের সংগমেচ্ছার লোপ হইলে এগনাস বা টার্ণেরা Q. দশ ফোঁটা দিনে ১ বার (ডাঃ বরিক)।
যৌন মিলনে অনিচ্ছার বিষয়টি একটি সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অনেক সময় 'লো লিবিডো' (Low Libido) বা 'যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস' বলা হয়। এর পেছনে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনযাত্রার নানা কারণ থাকতে পারে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
শরীরের ভেতর কোনো অসামঞ্জস্যতা থাকলে যৌন ইচ্ছা কমে যেতে পারে।
হরমোনের পরিবর্তন: শরীরে টেস্টোস্টেরন (পুরুষদের ক্ষেত্রে) বা ইস্ট্রোজেন (নারীদের ক্ষেত্রে) হরমোনের মাত্রা কমে গেলে এই সমস্যা হয়। বিশেষ করে সন্তান জন্মদানের পর, বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় বা মেনোপজের সময় নারীদের এই পরিবর্তন বেশি হয়।
অসুস্থতা: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আর্থ্রাইটিস, ক্যান্সার বা কিডনিজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগ যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দিতে পারে।
ওষুধের প্রভাব: অবসাদবিরোধী (Antidepressants), উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ বা জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় এমনটা হতে পারে।
শারীরিক ক্লান্তি: অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং ঘুমের অভাব শরীরকে ক্লান্ত করে দেয়, ফলে মিলনের আগ্রহ থাকে না।
যৌনতা অনেকাংশেই মনের ওপর নির্ভরশীল।
মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা: অফিস বা পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত টেনশন থাকলে যৌন আকাঙ্ক্ষা তলানিতে গিয়ে ঠেকে।
বিষণ্নতা (Depression): মন খারাপ বা ডিপ্রেশন যৌন জীবনের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শরীরের গঠন নিয়ে হীনম্মন্যতা: নিজের শরীর নিয়ে সন্তুষ্ট না থাকলে বা লজ্জা পেলে সঙ্গীর সামনে জড়তা তৈরি হতে পারে।
সঙ্গীর সাথে সম্পর্কের গভীরতা কমে গেলে অনিচ্ছা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
যোগাযোগের অভাব: সঙ্গীর সাথে মনের কথা শেয়ার না করা।
বিশ্বাসহীনতা বা দ্বন্দ্ব: দীর্ঘদিনের ঝগড়া বা পুরনো কোনো ক্ষোভ মনের ভেতর জমে থাকা।
একঘেয়েমি: যৌন জীবনে নতুনত্ব না থাকা বা যান্ত্রিকতা চলে আসা।
অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস: ধূমপান, মদ্যপান বা মাদকদ্রব্য সেবন স্নায়ুতন্ত্রকে দুর্বল করে দেয়।
ব্যায়ামের অভাব: শারীরিক সক্রিয়তা কম থাকলে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়, যা যৌন স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে।
যদি কেউ এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যান, তবে নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
খোলামেলা আলোচনা: সঙ্গীর সাথে নিজের অনুভূতির কথা বলুন। এটি একে অপরের প্রতি ভুল বোঝাবুঝি কমায়।
জীবনযাত্রায় পরিবর্তন: পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস করুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ: যদি হরমোন বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা মনে হয়, তবে লজ্জিত না হয়ে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (Endocrinologist বা Urologist/Gynecologist) পরামর্শ নিন।
কাউন্সেলিং: প্রয়োজনে রিলেশনশিপ থেরাপিস্ট বা সাইকোলজিস্টের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
মনে রাখবেন, এটি কোনো স্থায়ী সমস্যা নয় এবং সঠিক যত্ন ও সহযোগিতায় এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
মহিলাদের যৌন সংগমে বিতৃষ্ণা-এগনাস ক্যাসটাস Q. সিপিয়া। ৭। মহিলাদের যৌনজীবন বিপর্যস্ত, সংগমেচ্ছা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত লক্ষণে ওনোসমোডিয়াম ৩০, দিনে ২/৩ বার সেবা।
মোট 5টি ওষুধ
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন