স্বরভঙ্গ
১। সকালে বৃদ্ধি হলে কষ্টি, রাসটক্স, সালফার, আর্জ-মেট ইউপেটো পার্পো। সর্দির সাথে স্বরভঙ্গে পপিউলাস Q. (ডাঃ বাহিক)। ২। বিকালে বৃদ্ধি হলে কার্বভেজ, ফসফরাস। ৩। কথা বললে স্বপ্নভঙ্গের বৃদ্ধি লক্ষণে কার্বভেজ ফসফরাস, আর উপশম হলে কষ্টিকাম, রাসটক্স । ৪। হঠাৎ স্বর লোপ হলে কষ্টিকাম বা বোরাক্স ১x৫। গলা ব্যথা সহ স্বরভঙ্গে আর্জমেট আর ব্যথাহীন স্বরভঙ্গে ক্যাঙ্কে কার্ব । ৬। রোগী ফিস ফিস করে কথা বললে জেলস । ৭। সকালে নিদ্রা থেকে জাগলে স্বরভঙ্গ থাকলে রাসটক্স। ৮। ঠাণ্ডা মেঝেতে শয়নের পর স্বরভঙ্গে ডালকা, রাসটক্স। ভিজা বায়ু লেগে স্বরভঙ্গে কার্বভেজ। ৯। উচ্চস্বরে চিৎকার বা বক্তৃতা দেয়ার কারনে স্বরভঙ্গ হলে ফেরাম পিক্রি, আর্নিকা, কষ্টিকাম ব্যবহার্য।১০। স্বরযন্ত্রের পক্ষাঘাত হলে জেলস, কষ্টিকাম, প্লাম্বাম মেট ব্যবহার্য। ১১। যক্ষ্ণাগ্রস্থ রোগীর স্বরভঙ্গে স্পঞ্জিয়া বা ড্রসেরা ব্যবহার্য। **কোন ঔষধে উপকার না হলে টিউবার বভিনাম প্রয়োগ বিধেয় । *গলা থেকে ২/৩ রকমের স্বর বের হলে অরাম ট্রিফাইলাম, সেলিনিয়াম ২০০ থেকে ব্যবহার্য। ১২। তরুণ স্বরভঙ্গে পপিউলাস ক্যান্ডি ( প্রয়োগের সাথে সাথে স্বাভাবিক স্বপ্ন উৎপন্ন হয় (ডাঃ বরিক)। ১৩। দীর্ঘদিন ধরে স্বরের অত্যধিক ব্যবহারের ফলে স্বরভঙ্গ সেলিনিয়াম (ডাঃ কেন্ট) ২০০ থেকে ব্যবহার্য । ১৪। অনেকক্ষণ যাবৎ কথাবার্তা বলা বা গান করার পর স্বরভঙ্গ হলে সেলিনিয়াম ৩০, ২ ঘন্টাত্তর সেব্য । ১৫। স্বরভঙ্গ, স্বরে কর্কশতা ক্যাঙ্কে ফ্লোর ও ক্যারে- ফস ৬x থেকে সেব্য । ১৬। স্বর প্রতিধ্বনিত হয় (নিজ কানে) লক্ষণে কষ্টিকাম ২০০ থেকে ১৭। শরীর উত্তপ্ত হলে স্বরভঙ্গে ব্রোমিন ৩০, ২/৩ ঘন্টা পর পর থাবে। স্বর লোপ হলে কষ্টিকাম ২০০ থেকে ব্যবহার্য। ১৮। ঠান্ডা লেগে হঠাৎ স্বরভঙ্গ হলে ১ মটর পরিমাণ বোরাক্স (সোহাগা) মুখে রাখলে (গিলবে না) যাদুমন্ত্রের মত কণ্ঠস্বর পুনরায় ফিরে আসে (ডাঃ বরিক)। ১৯। কর্কশ কণ্ঠ-কষ্টিকাম (সকালে) কার্বোভেজ (বিকালে) ৩০ থেকে ব্যবহার্য ।
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন