প্রস্রাব বন্ধ
All ১৪ ভিউ

প্রস্রাব বন্ধ

রোগ সম্পর্কে

প্রস্রাব বন্ধ

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

ঠান্ডা - লাগিয়া প্রস্রাব বন্ধ হইলে একোনাইট, রাসটক্স ৩০ আর ঘন্টান্তর। পরে কষ্টিকাম ২০০, ২/১ ডোজ নিতে হয়। গাড়ী বা বাসে চলার পর প্রস্রাব বন্ধ হইলে কষ্টিকাম ৩০ বা ২০০, ১ ডোজ দিলেই যথেষ্ট।প্রস্রাব মোটেই সৃষ্টি না হওয়া প্লাম্বাম মেট, আর্সেনিক এখা ৩০ থেকে সন্তান

প্রসবের পর ব্রিটেনসন অথবা সাপ্রেসনের জন্য প্রস্রাব আটকে থাকা অথবা প্রস্রাব আদৌ সৃষ্টি না হওয়া অবস্থায় আর্সেনিক (কষ্টিকাম) ব্যবহৃত হয়ে থাকে (ডাঃ কেন্ট), ৩০ থেকে সেব্য । প্রস্রাব উৎপন্ন না হলে ট্রামোনিয়াম ৩০ বা ষ্টিগমেটা Q (ডাঃ বরিক) ব্যবহার্য।

 

মূত্রস্তম্ভ(Stricture) - ইহা যে কোন কারণেই হউক না কেন ভেসিকেরিয়া কমিউনিস Q (থ্যালাস্পি বার্সা) ১০ ফোঁটা মাত্রায় আধ ঘন্টাত্তর দ্রুত উপশম আনে এবং ক্যাথিটার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না (ডাঃ এলেন)। ইহা ছাড়া এই রোগে ক্লিমেটিস ৩০, এক ঘন্টাত্তর সুন্দর কাজ করে। পেট ফাঁপাসহ মূত্রস্তম্ভ দেখা দিলে টেরিবিছিনা ৩০, আধ ঘন্টাত্তর প্রযোজ্য। মূত্র রোধে এপিয়াম গ্রাভিওল্যান্স ৩০, দুই ঘন্টাত্তর সুন্দর কাজ করে। প্রসাব নালীর সংকোচন-প্রস্রাব হইতে হইতে হঠাৎ বন্ধ হয়, আবার হয়, আবার বন্ধ হয় ইত্যাদি লক্ষণে ক্লিমেটিস ইরেক্টা ২০০, ৪ ঘন্টাস্তর।

মূত্রনালীতে জ্বালা যখন প্রস্রাব পায়না তখন মূত্রনালীতে ব্যথা বেদনা বা জ্বালা লক্ষণে ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া অথবা খুজা হাজার ১৫ দিন অন্তর ১ মাত্রা, পরে উচ্চশক্তি । প্রস্রাবের পর জ্বালা ও বেদনায় সার্সাপেরিলা বা থুজা ২০০ হইতে উচ্চশক্তি ।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন