প্রসবকালীন উপসর্গ
Female ২৮ ভিউ

প্রসবকালীন উপসর্গ

রোগ সম্পর্কে

প্রসবকালীন উপসর্গ

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

(১) মিথ্যা বা অপ্রকৃত প্রসব ব্যথা- অনিয়মিতভাবে ব্যথা উঠে ও থেমে গেলে তাকে অপ্রকৃত প্রসব ব্যথা বলে । ইহাতে পালস (রোগিনী ঠান্ডা ভালবাসে। কিংবা সিমিসি (রোগিনী-গরম পছন্দ করে) ২০০ থেকে ব্যবহার্য । ইহাতে কলোফাইলাম, জেলস, বেল, ক্যামো, নাক্সমস, সিপিয়া, চাইবানাম গুনি ইত্যাদি ঔষধ ও ব্যবহার করা যায়। “কোন ঔষধে কাজ নাহলে খুজা বা মেডোরিনাম ব্যবহার্য । কৃত্রিম প্রসব বেদনা-গর্ভের প্রথম দিকে হলে সিমিসি ৩০ আর শেষের দিকে হলে কলোফাইলাম ৩০ (ডা: সরকার) **(2) স্বাভাবিকভাবে সঠিক স্থানে বাচ্চা স্থির না হলে সিমিসিফিউগা ২০০ এবং সন্তান সঠিকভাবে উপস্থিত (মাথা না এসে অন্য অঙ্গ আসলে) |

 

না হলে পালসেটিলা হাজার/১০ হাজার থেকে ব্যবহার্য । (৩) নিয়মিত প্রসব বেদনা সত্ত্বেও জরায়ুর মুখ (Os uteri) না খুললে জলস ২০০ বা সিমিসিফিউগা ৩০, ২০০ ব্যবহার্য । (৪) বাধার সময় পুনঃ পুনঃ পায়খানা বা প্রস্রাবের বেগ হলে নাক্স ৩০, ১৫/২০ মিঃ পর পর (৫) রাখা হঠাৎ থেমে গেলে বেলাডোনা ২০০। (৬) ব্যথা উপরের দিকে চাপ দিলে সিপিয়া, পালস, সিকেলি। (৭) ব্যথা রানের দিকে নামলে সিমিসিফিউগা। **(৮) অতিরিক্ত রক্ত বা পানি ভাংগার পরও বেদনা ন থাকার কারণে প্রসর না হলে সিকেলিকর ৩০। ব্যর্থ হলে মেডোরিনাম প্রয়োগ করতে হবে। প্রসবের সময় খুব বেশী রক্তস্রাব হতে থাকলে সিনামন (৫ ফোঁটা ১৫/২০ মিঃ পর পর অথবা সেবাইনা ২০০ শক্তি পরিবর্তন নিয়মে ১ ঘন্টা পর পর। (১০) অসহ্য বেদনায় ক্যামো, কফিয়া, সিপিয়া ৩০ থেকে ব্যবহার্য। (১১) রোগিনীর শারীরিক দুর্বলতা বশত ঠিকমত রাখা না উঠলে কেলি ফস ৪x ১০ বড়ি ২০ মিঃ অন্তর। (১২) সন্তানের বড় মাথার কারণে প্রসব যন্ত্রণায় ক্যাঙ্কে ফ্লোর ১২x বা ২০০ ব্যবহার্য। ** (১৩) প্রসব বেদনা থাকিয়া থাকিয়া আসে। বেদনা স্বাভাবিকভাবে আরম্ভ হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে লক্ষণে কালোফাইলাম ৩০। ডাঃ হেল বলেন- অনিয়মিত প্রসব বেদনা, নিস্তেজ প্রসব বেদনা এবং জরায়ুর মুখ শীঘ্র প্রশস্ত না হলে কালোফাইলাম (ব্যথা থেমে থেমে নীচের দিকে চাপ দেয়) ২x বা ৩x বারংবার প্রয়োগ করা কর্তব্য। ইহা প্রসব বেদনা বাড়িয়ে সত্ত্বর প্রসব করিয়ে দেয়। রোগিনীর ঠান্ডা অসহ্য। (১৪) অনিয়মিত বেদনা, কখনও কম কখনও বেশী আবার কখনও মোটেই থাকেনা, বেদনার জোর না থাকায় জরায়ুর মুখ খোলে না- পালসেটিলা । ইহার রোগিনী ঠান্ডা বাতাস চায়। (১৫) সন্তান মরে গিয়ে প্রসব দেনার সমাপ্তি হলে পালস উচ্চশক্তি ব্যবহার্য। ক্যান্থারিসও চিন্তা করা যায়। (১৬) বায়োকেমিক কেলি ফস 8x (১০ বড়িতে ১ মাত্রা) সর্বপ্রকার প্রসব বেদনাতেই উপযোগী, ইহার প্রয়োগ প্রায় অমোঘ, ১৭।এ সময় রোগিনীর কম্পন দেখা দিলে সিমিসিফিউগা ব্যবহার করবে(সরকার)। (১৮) এক্লাম্পসিয়া (Eclamptia) (ক) এটা ডেলিভারির পর পরই দেখা দিলে এমিল নাইট্রেট। (খ) প্রসবকালে ও প্রসবের পর দেখা দিলে হায়োসিয়েমাস। (গ) ডেলিভারির পূর্বে, সময়ে ও পরে দেখা নিয়ে সিকিউটা ৩০ শক্তি থেকে ব্যবহার্য। অনেকের মতে গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে এপিস ও বেলাডোনা ২০০ শক্তিতে ২/১ মাত্রা সেবনে এরাম্পসিয়া দেখা দেয় না।

 

বিঃ দ্রঃ- প্রসবকালে লক্ষণানুযায়ী ঔষধ দিয়ে ভাল ফল না পেলে মেডোরিনাম ব্যবহার করবে। তবে স্বামীর গণোরিয়া রোগে ভোগার ইতিহাস থাকলে প্রথমে থুজা দিতে হবে এবং থুজা ব্যর্থ হলে মেডোরিনাম ব্যবহার করবে ।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন

সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রোগ

এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন

আপনার কি আমাদের সাহায্য প্রয়োজন ?

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত

যোগাযোগ করুন