ধ্বজভঙ্গ
এই ধরনের রোগ বর্তমান সমাজে বেশ দেখা যায় এবং এটা একটা কঠিন প্রকৃতির রোগ। সেক্স সম্পর্কে জ্ঞানের এবং সংযমের অভাবই এই রোগের মূল কারণ। তাই এই রোগের চিকিৎসার সময় রোগীকে সেক্স কি, এবং জীবনে এর গুরুত্ব সম্পর্কে প্রথমেই ওয়াকেফহাল করে তুলতে হবে। তারপর রোগীকে ধাতুগত চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে। এই ব্যাপারে বরেণ্য চিকিৎসকগণ যেমন ডাঃ বরিক, ডাঃ এলেন, ডাঃ রাওয়েট এবং অন্যান্যরা তাদের লেখা বইগুলোতে শক্তিকৃত এবং মূল ঔষধের ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।
১। সঙ্গম ইচ্ছা প্রবল তবে শারীরিক শক্তি নাই, সঙ্গমকালে তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হয়, লিঙ্গ ধীরে ধীরে খাড়া হয় এবং সবল থাকে না, মাঝে মধ্যে স্বপ্নদোষ হয় তখন পৃষ্ঠে দুর্বলতা অনুভব করে, বসিয়া কোঁথ দিলে ফোঁটা ফোঁটা করিয়া শুক্র নির্গত হয়, মাথার চুল ঝড়িতে থাকে ইত্যাদি লক্ষণে সেলিনিয়াম ২০০, চার দিন অন্তর, এক মাস পর হাজার/দশ হাজার ও পরে উচ্চশক্তির ব্যবহারে ভাল ফল দেয়। ২। নভেল-নাটক, সিনেমায় স্ত্রী চরিত্র দর্শনে বীর্যপাত হইলে নেট্রাম মিউর২০০, সপ্তাহে ১ বার, পরে উচ্চশক্তি ব্যবহার্য। ৩। পায়খানা প্রস্রাবের সময় সামান্য কোঁথ দিলেই শুক্রস্রাব হইলে এসিড ফস ৩x সেলিনিয়াম ২০০ থেকে । ক্যাঙ্কে-ফস ৩০x (১ বড়ি) দিনে ৩ বার, এনাকার্ডিয়াম বা নেট্রাম মিউর ২০০, সপ্তাহে ১ বার। ৪। সারাক্ষণ মেয়েদের যৌনাঙ্গ সম্পর্কে চিন্তা করে, নিজের স্ত্রীতে শান্তি নাই, মা- বোন বিবেচনা নাই এই জাতীয় চিন্তা ভাবনা করিয়া ধ্বজভঙ্গ হইলে ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া হাজার সপ্তাহে ১ বার, পরে মাসান্তে দশ হাজার পঞ্চাশ হাজার পরে সি.এম শক্তি সেবনীয় । ৫। দুর্দম্য কাম পিপাসা, রাস্তায় মেয়েলোক দেখিলেই কামোম্মাদনায় পাগলের মত হইয়া যায়, ফোটা করিয়া শুক্র ঝড়ে লক্ষণে ক্যালাডিয়াম হাজার, সপ্তাহে ১ মাত্রা পরে মাসান্তে দশ হাজার ও অন্যান্য উচ্চতর শক্তি ।
৬। যৌবনে হস্তমৈথুন করিয়া ধ্বজভঙ্গ রোগ হইলে ট্রিবিউলাস টেরেসট্রিস Q, দশ ফোটা মাত্রায় দিনে ৩ বার। ৭। অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করিয়া ধ্বজভঙ্গ রোগ হইলে ইহার কুফল প্রতিরোধ করিয়া স্বাভাবিক স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার করে আর্ণিকা, বেলিস পিরেনিস অথবা ষ্ট্যাফিসেগ্রিয়া ২০০, সপ্তাহে ১ বার, মাসান্তে হাজার/দশ হাজার, ৫০ হাজার সি.এম ইত্যাদি শক্তি ব্যবহার্য ।
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন