জ্বর
All ২৭ ভিউ

জ্বর

রোগ সম্পর্কে

জ্বর

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

যে কোন জ্বরই ইউক না কেন প্রথম অবস্থায় বায়োকেমিক ফেরাম ফস ৬x (বড়দের ৩ বড়ি, ৫ বৎসরের নীচে শিশুদের ২ বড়ি, ১ বৎসরের নীচের ক্ষেত্রে ১ বড়ি) গরম পানিসহ সেবনে জ্বর কমে যায়। ১। টাইফয়েড ভিন্ন অন্য যে কোন জ্বরে টেরামাইসিন ৩০.

 

দুই ঘন্টাত্তর চমৎকার ফল দেয়। ২। উচ্চজ্বর ১০৩-১০৫ ডিগ্রী উচ্চতাপযুক্ত জ্বরে বেলাডোনা ৩০, ১৫ মিনিট অন্তর প্রয়োগে ভাল ফল দেয়। এসিটানিলিডাম ৩x দশ মিনিট অন্তর দিলে জ্বর কমে আসবে। কেলিফস ৬x, পাঁচ বড়ি জলে মিশিয়ে ২০ মিনিট অন্তর প্রয়োগে

 

জ্বরের তাপমাত্রা কমিয়া যায়।

 

৩। শিশুদের প্রবল জ্বরে আর্ণিকা ৩০ বা সিনা ৩০, ৩ ঘন্টাত্তর ভাল ফল দেয় ।

 

৪। যে জ্বৱে পিপাসা থাকে না রোগী চুপ করিয়া পড়িয়া থাকে সেখানে জেলসিমিয়াম ২০০, পাঁচ ঘন্টাস্তর অব্যর্থ ।

 

৫। যে জ্বরে রোগী বেশি বেশি পরিমাণে পানি খায়, পায়খানা হয় না, রোগী নাড়াচড়া করিতে চায় না, সর্দি কাশি থাকে, জিহবা সাদা থাকে সেখানে ব্রায়োনিয়া ২০০, তিন ঘন্টাস্তর অব্যর্থ ।

 

৬। সর্দি কাশির সহিত জ্বরে শিশুর খিটখিটে মেজাজ লক্ষণে ক্যামোমিলা ৩০. অথবা ওসিমাম স্যাঙ্কটাম ৩০, তিন ঘন্টান্তর ব্যবস্থেয়।

 

৭। দুগ্ধজ্বর-মেয়েদের দুধে (Breast) প্রদাহ হইয়া জ্বর আসিলে ব্রায়োনিয়া ২০০, তিন ঘন্টাত্তর নিশ্চিত ফল দেয় (ডাঃ

 

ফ্যারিংটন) ।৮। শিশুদের জ্বর হইলেই তড়কা বা আক্ষেপ হওয়ার প্রবণতায় প্রোটিয়াস ৩০, দুই ঘন্টান্তর ব্যবহার্য (বেল, ক্যালকেরিয়া, জেলস)। ৯। জ্বরে রোগী থরথর করিয়া কাঁপিতে থাকিলে জেলসিমিয়াম। ২০০. তিন ঘন্টাত্তর।

 

১০। জ্বর যেখানে ঘড়িধরা সময়ে উপস্থিত হয় তাহাতে সিদ্ধান অথবা এরেনিয়া ডায়ডেমা ২০০, দিনে একবার ১১। ডেঙ্গু জ্বর ইহার ভাল ঔষধ ইউপেটোমিয়াম পার্ফো ৩০,

 

বা ২০০ তিন ঘন্টাত্তর ব্যবহার্য। জেলসিমিয়াম ২০০, ইহার আর

 

একটি ভাল ঔষধ ৬ ঘন্টাস্তর ব্যবহার্য ।

 

১২। প্রসবাস্তিক জ্বর বা সূতিকা জ্বর-এই রোগে পাইরোজিনাম ২০০, দিনে দুইবার প্রয়োগে ভাল ফল পাওয়া ইচিনেশিয়া Q, তিন ফোঁটা মাত্রায় দিনে ৪ বার প্রয়োগেও সুন্দর ফল পাওয়া যায় (ডাঃ বরিক)। এই জ্বরে আর্নিকা ৩০, তিন ঘন্টাস্তর ভাল কাজ করে। লোকিয়াস্রাব বন্ধ হইয়া জ্বর আসিলে সালফার ৩০, তিন ঘন্টাত্তর ২/৩ মাত্রা।

 

১৩। উদরাময়, সাদা জিহবা, পায়ের তলা ঠান্ডা লক্ষণে এন্টিম ৩০, দুই ঘন্টাস্তর ব্যবহার্য। আরোগ্য না হইলে ক্লোরোমাইসেটিন ৩০, দুই ঘন্টাস্তর প্রয়োগে ভাল ফল পাওয়া যায়। ১৪ । টাইফয়েড জ্বর-এই জ্বরে ক্লোরোমাইসেটিন ৩০, তিন ঘন্টাত্তর

 

এবং মাঝে মধ্যে জীবনী শক্তি সতেজ রাখার জন্য কার্বোভেজ ২০০,

 

২/১ মাত্রা ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যায়। দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা

 

লক্ষণে ব্যাপটিসিয়া ৩০. দুই ঘন্টাত্তর এবং মাঝে

 

মধ্যে

 

টাইফয়েডিনাম ২০০, ২/১ মাত্রা প্রয়োগে সুন্দর ফল পাওয়া যায়।

 

কোষ্ঠকাঠিন্য লক্ষণে ব্রাইওনিয়া ৩x তিন ফোটা ২ ঘন্টাত্তর এবং মাঝে

 

মাঝে টাইফয়েডিনাম ২০০, ২/১ মাত্রা ভাল ফল দেয়। ডাঃ

 

ফ্যারিংটন টাইফয়েডের প্রাথমিক অবস্থায় ব্রাইয়োনিয়া ও রাসটক্স

 

পৌনঃ পৌনিকভাবে ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন (টাইফয়েডের ভুল

 

চিকিৎসায় কঠিন অবস্থায় হানেমান ) ।১৫। কোলাই জ্বর-বি কোলাই ইনফেকশনের কারণে এই জ্বর হয় এবং সিপিয়া ৩০, ইহার শ্রেষ্ঠ ঔষধ। দিনে চার বার ব্যবহার্য। টেরামাইসিন ৩০, চার ঘন্টাত্তর অথবা স্টেপটোমাইসিন ২০০, দিনে ১ বার অথবা পাইরোজেন ২০০, দিনে একবার অথবা স্টেপটোসিন ২০০, দিনে এক বার ব্যবহার করা যায় ।

 

১৬। Catheter Fever-কেথিটার ব্যবহারের পর প্রায়ই জ্ব হয় ইহাতে এসিড ক্যাঙ্কোরিক ২x বিচূর্ণ দুই গ্রেণ মাত্রায় তিন ঘন্টাত্তর ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যায়।

 

১৭। ডাঃ Raw বলেন- যে সকল জ্বর সকাল এগারটার সময় অত্যন্ত কম্পন, উত্তাপ, ধর্ম ও প্রচন্ড শির বেদনা সহ আরম্ভ হয় এবং ঘর্ম হইয়া লক্ষণাদির উপশম হয় ইহাতে নেট্রাম মিউর ২০০, শক্তি ৮ ঘন্টাত্তর।

 

১৮। বর্ষাকালীন জ্বরে-নেট্রাম সালফ ১২x ও ফেরাম ফম

 

১২x পর্যায়ক্রমে ব্যবহারে সুন্দর ফল পাওয়া যায়।

 

১৯। রক্তদৃষ্টি হেতু জ্বর কিংবা স্পেটিক জ্বর-ইহাতে পাইরোজিন ২০০ বা এছাক্সিনাম ৩০ চার ঘন্টাস্তর। অস্থিরতা ও পিপাসা লক্ষণে আর্সেনিক ৩০. তিন ঘন্টাস্তর ২/৩ মাত্রা। ইহাতে ইচিনেশিয়া () তিন ফোটা পরিমাণ দিনে তিন বার সেবনেও সুন্দর ফল পাওয়া যায়। সর্দি কাশির জ্বরে ব্রাইওনিয়া ২০০ চার ঘন্টাত্তর ।

 

বিঃ দ্রঃ-জ্বরের পরে দূর্বলতা থাকিলে বলকারক টনিক হিসাবে এলষ্টোনিয়া স্কলারিস ( পাঁচ ফোঁটা মাত্রায় দিনে ২/৩ বার সেব্য (ডাঃ বরিক) । এই ব্যাপারে এভেনা স্যাটাইভা Q দশ ফোটা মাত্রায় দিনে দুই বার অপূর্ব ফল দেয় । বিকালে জ্বর এবং শরীরের নানা স্থানে বাতজনিত বেদনা-এজাডিরেকটা ইন্ডিকা Q/৩x থেকে। সন্ধ্যার দিকে শীতবোধ, অঙ্গগুলোতে ছিঁড়ে যাওয়ার মত ব্যথা লক্ষণে সিজন ৩০ থেকে ।২০। সবিরাম জ্বর বিশেষতঃ রাত্রে যাহার প্রমাণ স্বরূপ ঠোটের কোণে মুক্তার মত ফোস্কা উঠে (জ্বর ঠুটো বলে) লক্ষণে নেট্রাম মিউর ২০০, সপ্তাহে একবার প্রয়োগ করা যায় অথবা রাসটক্স ২০০, দিনে একবার (এমন ২/৩ মাত্রা সেব্য)। দুদমনীয় সবিরাম জ্বরে এরানিয়া ৩০ থেকে।

 

২১। জ্বর : ১০৪-১০৫ ডিগ্রী পযূক্ত উঠে আবার কমিয়া যায়, মাথা অত্যন্ত গরম, হাত-পা ঠান্ডা (জেলস) শরীর জ্বলে, মাথার দুইধারে রগের ভিতর দপ দপ করে (ব্যথা) কপালে বিন্দু বিন্দু গরম ঘাম, চোখ দুইটি ভীষন লাল, চোখ বুঝিলেই চমকাইয়া উঠে (বিকার ভাব দেখা দেয়) লক্ষণে বেলাডোনা ৩০ দুই ঘন্টান্তর ৪/৫ ডোজ, বিফলে ক্যালকে কার্ব ৩০ তিন ঘন্টাস্তর ২/৩ ভোজ ।

 

২২। হঠাৎ সারা শরীর গরম হইয়া উঠে, ভীষণ গাত্রতাপ (১০৪/১০৫ ডিগ্রী) হাতে পায়ে ভীষণ জ্বালা (জ্বর সাধারণতঃ বিকালের

 

দিকেই হয়) লক্ষণে সালফার ৩০ দিনে দুই বার । ২৩। জ্বর দিনের ১০/১১ টায় বা যে কোন সময় বিশেষতঃ

 

সন্ধ্যায় আসে, জ্বর আসিবার পূর্বে কাশি দেখা দেয়, শরীরে ব্যথা- বেদনা থাকে (গাত্রতাপ অত্যন্ত বেশি) লক্ষণে টিউবার কুলিনাম ২০০, সপ্তাহে ১ বার।

 

২৪ । পা ঠাণ্ডা হইয়া বেলা ১১ টার দিকে জ্বর আসে (পিপাসা থাকিতে বা নাও থাকিতে পারে) লক্ষণে মেডোরিনাম হাজার ১৫ দিন পর দশ হাজার।

 

বিকালে জ্বর বাড়ে, শরীরে কামড়ানী বেদনা থাকে, পিপাসা হয় তবে ২৫। জ্বরে ভীষণ তাপ এবং প্রচুর ঘর্ম (ঘর্মে উপশম হয়) জল পানে কাশি দেখা দেয়, রোগী বাতাস পছন্দ করে লক্ষণে মেরিণাম ২০০, সপ্তাহে এক বার পরে উচ্চশক্তি।২৬। চোৱা জ্বরে মেডোরিনাম বা টিউবার কুলিনাম বা

 

সালফার হাজার মাসে এক মাত্রা সেব্য । ২৭। জ্বরে ব্যথা বেদনা করিলে ইউপেটো পার্ফো ৩০ দুই ঘন্টান্তর, আর মাংস পেশীতে বেদনা করিলে ও টিপিয়া দিলে আরাম

 

হইলে রাসটক্স ৩০, দিনে তিনবার।

 

২৮ । জ্বরের সময় গায়ে আমবাত দেখা দিলে ইগ্লেসিয়া,

 

ডালকা, রাসটক্স-যে কোন একটি ৩০ তিন ঘন্টাস্তর ।

 

২৯। জ্বরে পিত্ত বমি হইলে নেট্রাম সালফ ১২x, ২ বড়ি ৩

 

ঘন্টাস্তর।

 

৩০ । জ্বরে মুখমণ্ডল ঠান্ডা, হাত গরম সিনা ৩০, ৩ ঘন্টাস্তৱ । ৩১। জ্বরে হাত-পা শরীর ঠান্ডা মাথা গরম আর্নিকা, বেল,

 

ক্যাঙ্কে-কার্ব ।

 

৩২। ঘুষঘুষে জ্বরে-ক্যারে-কার্ব, ক্যাঙ্কে আয়োড । ৩৩। জ্বরে শীত শীত বোধ-এরানিয়া, নাক্স, পালস, মার্ক- ২০০ থেকে

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন

সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রোগ

এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন

আপনার কি আমাদের সাহায্য প্রয়োজন ?

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত

যোগাযোগ করুন