চর্মরোগ
শীতকালে দেহে শুকনা আইশের মত চর্মরোগ (যাহা গ্রীষ্মকালে থাকে না) দেখা দিলে সোরিনাম ২০০, পনর দিন অন্তর ব্যবহার্য। ব্যর্থ হইলে আর্স আয়োড ২০০, সপ্তাহে ১ বার প্রয়োগে ভাল ফল দেয় । শীতকালের যে কোনও চর্মরোগে পেট্রোলিয়াম ২০০ হইতে উচ্চশক্তি। ত্বক চুলকায় এবং রক্ত বেরিয়ে না আসা পর্যন্ত চুলকায়-এলুমিনা, মেজিরি, আর্স, ডলিকস ৩০ দিনে ২ বার । চর্মরোগ হয় সাধারণত অপরিচ্ছন্নতা থেকে। সপ্তাহে কমপক্ষে ৩/৪ দিন গায়ে দেয়ার ভাল সাবান দিয়ে গোসল করা উচিত।
চর্মরোগ হলে ডেটল বা সেভলন সাবান দিয়ে গরম পানি সহ রোজই গোসল করা উচিত। নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে সাবান মেখে ভাল করে গোসল করা হিতকর। গোসলের পর ও রাত্রে শোয়ার পূর্বে অলিভ ওয়েল শরীরে মাথা খুবই হিতকর। জামা কাপড়গুলো গরম পানি সহ ডেটল ওয়াস করবেন প্রত্যহ ।
চর্মরোগে চুলকানীর জন্য রাত্রে ঘুমাইতে না পারিলে জুগ্রাস ৱিজিয়া বা কফিয়া ৩০ দিনে ৪/৫ বার সেব্য। চর্মের নীচে পিপীলিকা হাঁটিয়া চলার ন্যায় সুড়সুড়ি হইলে নেট্রাম কার্ব ২০০, দিনে ১ বার। শরীরে রসপূর্ণ গুটি অত্যন্ত চুলকায় এবং উহা হতে পানির মত রস নির্গত হইলে নেট্রাম সালফ ১২x, ৩ বড়ি দিনে ৩ বার। চর্ম রোগে চুলকানী স্থান পরিবর্তন করিলে স্ট্যাফিসেগ্রিয়া অথবা মেজেরিয়াম ২০০ তিন দিন অন্তর ১ মাত্রা।
শীতকালীন চর্মরোগে হাইড্রোকোটাইল Q. গ্লিসারিনের সাথে মিশাইয়া বাহ্য প্রয়োগে আশ্চর্য্য ফল পাওয়া যায়। গ্রীষ্মকালীন চর্মরোগে খেলিয়াম ৩০, দিনে বার । ইহা ছাড়া রাসভেন ৩০, দিনে ২ বার। বাইরে থেকে মলম দিয়ে চর্মরোগ বসিয়ে দিলে পরিস্থিতিতে ব্যারাইটা কার্ব, মেজেরিয়াম, সেলিনিয়াম, সালফার, সোরিনাম, গ্রাফাইটিস প্রয়োগের দরকার হয় ভাপে চুলকানি বৃদ্ধি-এলুমিনা, ক্যাঙ্কে আয়োড, সোরিনাম, মার্কসল, পালস, মেজেরি, গ্রাফাইটিস
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন