ঘর্ম
শরীরের এক পার্শ্বে ঘাম-নাক্স, ফস, ধুজা, পেট্রোল, পালস । ১। ঘুমের জন্য চোখ বন্ধ করলেই ঘাম হয় কোনিয়াম, থুজা, আর জাগিলে ঘাম হয় স্যাম্বুকাস। ২। সমস্ত মাথায় দুগন্ধপূর্ণ ঘাম হইলে সাইলিসিয়া বা স্যানিকুলা আর কপালে ঘাম হইলে ক্যালকে কার্ব (ঘামে টক গন্ধ থাকে) ২০০, সপ্তাহে ১ বার মাসান্তে হাজার /দশ হাজার শক্তি। ৩। মুখের এক পার্শ্বে ঘাম হইলে কষ্টিকাম বা পালসেটিলা হাজার সপ্তাহে ১ বার। ৪। ভাত খাইবার সময় মুখমন্ডল (বিশেষতঃ নাক) ঘামাইলে নেট্রাম মিউর ২০০, সপ্তাহে ১ বার । ৫ । বগলের নীচে ঘামাইলে মার্কসল, সিপিয়া, সেলিনিয়াম, পেট্রোলিয়াম বা খুজা হাজার সপ্তাহে ১ বার (দুগন্ধপূর্ণ হইলে সাইলিসিয়া হাজার) । বুকে, বগলে যৌনাঙ্গে প্রচুর ঘাম হয় এবং জামা কাপড়ে হলদে দাগ পড়ে সেলিনিয়াম (ডাঃ কেন্ট) হাজার থেকে। ৬। পায়ের পাতায় দুর্গন্ধযুক্ত ধর্ম যাহার জন্য অনেকের পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকে ফাঁকে ক্ষত হইয়া যায় স্যানিকিউলা, সাইলিসিয়া, গ্রাফাইটিস, ব্যারাইটা কার্ব হাজার পনর দিন পর, মাসান্তে দশ হাজরা ও পরে উচ্চ শক্তি
ব্যবহার্য। সার্ব দৈহিক ধর্ম-হিপার, ক্যালকে-কার্ব, কেলি কার্য কোলৰাই । ৭। কোন প্রকার গন্ধহীন অতিরিক্ত ঘামে এসিড ল্যাকটিক বা পাইলোকাপার্স হাজার সপ্তাহে ১ বার। ৮। শরীরের অনাবৃত অংশে ঘর্ম হইলে থুজা, আবৃত স্থানে ৰেল । দুর্বলতা হেতু প্রচুর ঘর্মস্রাবে রাস গ্ল্যাবরা ১x বা চায়না ৩x (ডাঃ বরিক)। ৯। হাতের তালুতে আঠালো ঘাম লক্ষণে এনাকার্ডিয়াম হাজার সপ্তাহে ১ মাত্রা। ঐ ঘর্ম দুর্গন্ধপূর্ণ হইলে সালফার, সাইলিসিয়া, নাইট্রিক এসিড-যে কোন একটি ২০০ হইতে উচ্চতর শক্তি। ১০। রাত্রে শরীর ভিজিয়া যায় এমন ঘর্মে আর্স আয়োড হাজার সপ্তাহে ১ মাত্রা। ১১। সমস্ত শরীরে ঠান্ডা আঠালো চটচটে ঘর্ম লক্ষণে টেরিবিছিনা হাজার সপ্তাহে ১ বার। ১২। ঘামের দুর্গন্ধ কমাইতে পেট্রোলিয়াম, ব্যারাইটা কার্ব, কেলি আয়োড, সাইলিসিয়া, সোরিনাম-যে কোন একটি উচ্চতর শক্তি মাসে ১ বার, এমন ২/৩ মাত্রা ব্যবহার্য। ১৩। শুধু মুখমণ্ডল ঘামাইলে খুজা হাজার সপ্তাহে ১ বার। ১৪। সামান্যতেই খুব ঘাম হয় লক্ষণে সেলিসিয়াম, হিপার সালফ বা নেট্রাম কার্ব যে কোন একটি ২০০ তিন দিন পর ১ মাত্রা। ১৫। ঘামের পর লবণের মত সাদা সাদা দাগ পড়িলে নেট্রাম মিউর, সেলিনিয়াম, মার্কসল, থুজা, ক্যাড-সালফ ২০০, সপ্তাহে ১ বার। পায়ের নীচে ঘামে সাইলিসিয়া ৩০x দিনে ১ বার। উপকার না হইলে নেট্রাম মিউর ৩০x ব্যবহার্য । দুর্গন্ধ থাকলে এসিড নাইট । রোগী দিন-রাত্র ঘামতে থাকে হিপার- সালফ, কলচিকাম (ডাঃ কেন্ট)। স্থানীয় ও সর্বাঙ্গীন ঘাম- ক্যাল্কেকার্ব ২০০ থেকে । সামান্য পরিশ্রমে ঘাম ক্যাঙ্কে-কার্ব, ইউপিয়ন । *ঘর্মে উপশম-একোন, আর্স, ব্রায়ো, নেট-মি, সোরিন, ভিরেট্রাম-এল, ইউপেটো পার্ফো । *ঘর্মে বৃদ্ধি-মার্ক-সল, নাইট্রিক এসিড
ঘামে মিষ্টি (ক্যালাডিয়াম) ও উগ্রগন্ধ-পূজা। *্যামে প্রস্রাবের গন্ধ- কলোসিস্থ (বার্বেরিস, নাইট্রিক এসিড)। *পেয়াজের গন্ধ-বোডিষ্টা *দুর্গন্ধ-পেট্রোল সাইলি, সোরিন, ব্যারাইটা কার্ব, গ্রাফাইটিস, সিপিয়া, নাইট্রিক এসিড।
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন