গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন উপসর্গ
১। গর্ভাবস্থায় বমি : (১) সাধারণ বমিভাবে ইপিকাক ৩০ দুঘন্টান্তর।
* (২) সর্ব প্রকার খাদ্যে বিরক্তি বা অরুচি, ক্রমাগত বমনোদ্বেগ ও রমন,মুখ দিয়ে পানি উঠা, তিক্ত আস্বাদ, কোষ্ঠকাঠিন্য লক্ষণে সিমফোরিকার্পাস রেসিমোসা ২০০ (চিৎ হয়ে শয়নে উপশম) দিনে ২ বার খাবে । (৩) কোন জিনিসের গন্ধে গা বমি-বমি তৎসহ মাথাঘোরা ককুলাস ৩০ তিন ঘন্টান্তর । (৪) খাওয়া মাত্রই বমি এবং খাদ্যের গন্ধে বমিভাব লক্ষণে আর্সেনিক ৩০, দিনে ২/৩ বার । (৫) খাদ্যের গন্ধে (বিশেষত রান্না করা খাদ্যের গন্ধে) গা বমি বমি করে (বিশেষতঃ মাছের গন্ধে) রোগিনী রন্ধনের গন্ধ মোটেই সহ্য করতে পারে না লক্ষণে কলচিকাম ৩০, দিনে ৩ বার। এর পর আর্সেনিক এবং আর্সের পর কলচিকাম ভাল ফল দেয়। (৬) খাওয়ার কিছুক্ষণ পর বমি হলে ফসফরাস ২০০। (৭) অনবরত বমি, বমির বিরাম নাই অবস্থায় অ্যাপোমফিয়া ৩০, ২/৩ ঘন্টাস্তর । (৮) অম্ল বমনে রোবিনিয়া ৩০ দু'ঘন্টাত্তর।
**(৯) কোন ঔষধে সুফল না পেলে লক্ষণ সাদৃশ্যে টিউবার ভিনাম বা মেডোরিনাম হাজার/দশ হাজার ব্যবহার্য । (১০) গর্ভাবস্থায় ৰমন ও গেঁটোবাত কলচিকাম অথবা কেলি সেলিসাইলিকাম ৩০, দিনে ২/৩ বার সেব্য। (১১) পানি দেখলেই বমি করে, স্নান করার সময় চোখ বন্ধ রাখতে হয়- ফসফরাস ২০০ (ডাঃ টাইলার)। (১২) মৃগী রোগে- ইন্যাস্থি ক্রোকেটা ।
২। গর্ভাবস্থায় হিক্কাঃ ইহাতে সাইক্লামেন ৩০, অথবা বায়োকেমিক ম্যাগফস ৬x (২ বড়ি) ৩ ঘন্টাস্তর । (৩) গর্ভাবস্থায় কাশি—ইহাতে প্রথমে একোনাইট, ইপি, নাক্স, পালস ৩০। না কমলে কেলি ব্রোম ৩০, দিনে ২/৩ বার । তাতেও না সেরে মারাত্নক অবস্থা ধারণ করে গর্ভপাতের আশঙ্কা হলে ও কাশির রাত্রিকালীন বৃদ্ধি থাকলে কোনিয়াম ৩০/২০০ ব্যবহার্য (৪) গর্ভাবস্থায় জরায়ু থেকে রক্তস্রাব হলে ইপিকাক ৩০ (বমিসহ),জিরেনিয়াম Q. ককুলাস, ক্রোকাস, ফস, সেবাইনা, সিকেলিকর-যে কোন একটি ২০০ শক্তি পরিবর্তন নিয়মে ৪ ঘন্টাত্তর সেব্য। রক্তস্রাবে খুব দুর্বল হলে চায়না Q বা ৩x ।
*আঘাত পাওয়ার কারণে রক্তস্রাব হলে আর্নিকা ২০০। গর্ভাবস্থায় রক্তস্রাবে মেডোরিনাম হাজার বা আরো উচ্চশক্তি পরিবর্তন নিয়মে ভাল কাজ দেয়। গর্ভাবস্থায় জরায়ু থেকে রক্তস্রাবে ইরিজিরন Q/৩x (ডাঃ বরিক) সুফলদায়ক (৫) গর্ভবতী রমনীর যোনি চুলকালে কলিনসোনিয়া বা এড্রাসিয়া ৩০ অথবা কেলাডিয়াম ৩০, দিনে ২/৩ বার সেব্য। সিপিয়া, হেলোনিয়াস ভাল ঔষধ। যোনি কপাটে ক্ষতসহ চুলকানিতে মার্কসল ২০০, ২/১ ডোজ । ইচিনেসিয়া ) বা ক্যালেনডুলা Q দ্বারা বাহ্য লোশন ব্যবহার্য । *৬। গর্ভাবস্থায় পেট ব্যথা লক্ষণে আর্নিকা, নাক্স, পালস, সিপিয়া যে কোন একটি ৩০ শক্তিতে দিনে ২/৩ বার সেব্য। তলপেটে ব্যথায় সিমিসি বা কলোফাইলাম ৩০ । জরায়ুতে নিম্নাভিমুখী ব্যথা লক্ষণে কেলিকার্ব ২০০, ২/১ ডোজ (৭) গর্ভাবস্থায় হাঁটাচলা খুবই কষ্টকর- বেলিস পিরে (ডাঃ টাইলার) । (৮) গর্ভাবস্থায় বমি ও পিঠ ব্যথা ককুলাস ইন্ডিকা ৩০, দিনে ২ বার খাবে (ডাঃ বরিক) । (৯) গর্ভাবস্থায় পিত্তজনিত অবস্থা চেলিডোনিয়াম ৩০, দিনে ২ বার খাবে ।
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন