গর্ভস্থ ভ্রুনের নড়াচড়া ও অবস্থান
(১) ভ্রুণের অত্যধিক নড়াচড়ায়-(এমন কি তার জন্য গর্ভপাতের উপক্রম হলে) সিপিয়া ৩০ চার ঘন্টান্তর, অথবা আর্নিকা ৩০ তিন ঘন্টান্তর । (২) নড়াচড়ায় রোগিনী আঘাত পান, ক্ষতবৎ বেদনা অনুভব করেন- আর্নিকা, ওপিয়াম, সিপিয়া, যে কোন একটি ৩০ শক্তি দিনে ২/৩ বার সেব্য । (৩) ভ্রুণের নড়াচড়ায় ঘুমের ব্যাঘাত হলে- থুজা ২০০। (৪) ভ্রুণ পার্শ্ব পরিবর্তন করলে পালসেটিলা ২০০, দিনে ১ বার (৩/৪ দিন)। (৫) ভ্রুণ ডিগবাজী খেলে লাইকো ২০০ সকালে (২/১ দিন) (৬) ভ্রুণের নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেলে- কলোফাইলাম ৩০, দিনে ২/১ বার। (৭) ভ্রুণ কোণাকোণি শুয়ে আছে মনে হলে- আর্নিকা ৩০, দিনে ২/৩ বার । (৮) পেট বড় দেখানোসহ ভ্রুণের অত্যধিক নড়াচড়ায় সোরিনাম ২০০/হাজার, শক্তি পরিবর্তন নিয়মে রোজ সকালে খাবে (২/৩ ডোজ) । (৯) মনে হয় ভ্রুণ যেন জরায়ুতে ঠাঁই পাচ্ছে না প্লাথাম ৩০, দিনে ২/৩ বার ।
*(১০) গর্ভাবস্থায় ভ্রুণের অস্বাভাবিক বা উল্টা অবস্থানে (Breech Presentation) পালসেটিলা ২০০/হাজার (ক্রমোন্নত মাত্রায় ৮ ঘন্টা পর পর ৩/৪ বার সেব্য। **(১১) ভ্রুণ মরে গেলে তাকে বের করতে ক্যান্থারিস বা পালস ২০০, শক্তি পরিবর্তন নিয়মে ৩ ঘন্টান্তর সেব্য (সিকেলি কর () বা ৩০/২০০ ভাল কাজ দেয় ।)
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন