খোঁস পাঁচড়া ও চুলকানি
All ১৪ ভিউ

খোঁস পাঁচড়া ও চুলকানি

রোগ সম্পর্কে

খোঁস পাঁচড়া ও চুলকানি

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

১। ইহাতে প্রথমে সালফার ২০০১ মাত্রা দিয়া ৭ দিন অপেক্ষা করতে হবে। ইহাতে খোসগুলি কিছুটা বাড়বে, তখন সালফার ৬/৩০, প্রত্যেহ ১ বার সেবনে ২/৩ দিনে খোসগুলি শুকাইয়া যাইবে। ২। খোস পাঁচড়ায় অসহ্য চুলকানি, চুলকাইয়া রক্ত বাহির করিয়া ফেলে রাত্রে বৃদ্ধি ইত্যাদি লক্ষণে মেজেরিয়াম ৩, তিন ঘন্টাস্তর। ৩। চুলকানির প্রাবল্যে রোগী পাগলের মত হইবার উপক্রমে ফ্যাগোপাইরাম ৩০, তিন ঘন্টাস্ত ৱ। ৪ । অসহ্য চুলকানি কিন্তু কোন উদ্ভেদ নাই লক্ষণে ডলিকস ৩০ তিন ঘন্টাস্তর। ৫। পুঁজ পূর্ণ খোসে চুলকানি লক্ষণে মার্কসল ৩০, আট ঘন্টাস্ত র। ৬। অসহ্য চুলকানিতে সালফার ৩০ পানিতে দিয়ে ৩ ঘন্টান্তর সেবনে ভাল ফল পাওয়া যায় (ডাঃ লিলিয়েছাল)। ৭। খোস-পাঁচড়ার চুলকানিতে কোন ঔষধের কাজ না করিলে দুর্গন্ধ ও রোগীর শীতকাতরতা লক্ষণে সোরিণাম ২০০, ৫ দিন অন্তর ১ মাত্রা। ৮। গায়ের জামা কাপড় খুলিলেই চুলকানি বৃদ্ধি হইলে নেট্রাম সালফ ২০০, ৪ দিন অন্তর ১ বার অথবা রিউমেক্স ৩০ দিনে ৩ বার। ৯। জননেন্দ্রীয় অংশে অসহা চুলকানিতে রেডিয়াম ব্রোমেটাম ৩০, সপ্তাহে ১ মাত্রা। জননেন্দ্রিয় প্রদেশের যুদ্ধরি ও পূজ পূর্ণ চুলকানিযুক্ত উদ্ভেদে ক্রোটনটি ২০০, তিন দিন অন্তর ১ মাত্রা। দানাদার ও ফাটামুক্ত রক্তস্রাবী উদ্ভেদে পেট্রোলিয়াম ২০০, চার দিন অন্তর ১ মাত্রা। তথায় আগুনের মত জ্বালাযুক্ত উদ্ভেদে (চুলকানিসহ) রাসটক্স ২০০, দিনে ১ বার। তথায় শুকনা/রক্তস্রাবী, রাে ভয়ানক চুলকানিযুক্ত একজিমায় সার্সাপেরিলা ৩x দিনে ৩ বার। ১০। চুলকানির পর আক্রান্ত স্থানে ঝিন ঝিন করিলে সেলিনিয়াম ২০০, ৪ দিন অন্তর আর জ্বালা করিলে সালফার ৩০, ৪ ঘন্টাস্তর ৩/৪ ডোজ । ১১। সর্বাঙ্গে চুলকানি ও জ্বালা লক্ষণে রেডিয়াম ব্রোমাইড ৩০, ৫ ঘন্টান্তর, ২/৩ মাত্রা । ১২। হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে ফাঁকে চুলকানি হইলে সিপিয়া, সেলিনিয়াম, সোরিনাম ২০০, তিন দিন অন্তর ১ মাত্রা। (যেকোন ১টি) ১৩। ভীষণ চুলকানি, আর্চড়াইলে চুলকানি স্থান পরিবর্তন করে লক্ষণে স্ট্যাফিসেগ্রিয়া বা মেজেরিয়াম ৩০, দিনে ১ বার। ১৪। হাতের তালুতে চুলকানি সেলিনিয়াম (ডাঃ কেন্ট) ৩০/২০০

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন