কলেরা
১। অবিরাম বাহ্য-বমি, পেটে বেদনা, কপালে ঠান্ডা-ঘাম, হাত পায়ে খিলধরা, প্রবল পিপাসা, শরীর ঠান্ডা ইত্যাদি লক্ষণে ভিরেট্রাম এলাম ৬, ঘন ঘন ব্যবহার্য । ২। ২/১ বার পায়খানার পর হঠাৎ শরীর ঠান্ডা হইয়া গেলে ক্যাঙ্কার ৩০, ১৫/২০ মি. অন্তর। ৩। রোগীর অত্যধিক খিচুনি বা আক্ষেপ থাকিলে কুপ্রাম মেট ৩০, ৫/১০ মি. অন্তর ।৪ । আক্ষেপহীন ও বেদনা শূন্য অবস্থায় প্রচুর বাহ্য বমি থাকিলে রিসিনাস ৩x, ১ ঘন্টাত্তর। (উপদেশ- ভিরেট্রাম বিফলে এন্টিমটাটি ৬ এবং ক্যমফার বিফলে এসিড হাইড্রোসিয়ানিক ৩০, আধ ঘন্টাত্তর ।} বিঃ দ্রঃ- কলেরায় যাহাতে প্রস্রাব বন্ধ না হয় সেই জন্য সিনা অথবা নেট্রাম ফস ৬x, ২/১ মাত্রা সতর্কতা হিসেবে দিতে হবে। অত্যধিক হিমাঙ্গ অবস্থায় কার্বোভেজ অথবা সিকেলি কর ৩০, ২/১ মাত্রা ব্যবহার যুক্তি সঙ্গত। * বায়োকেমিক ফাইভ ফস ৬x এবং নেট্রাম সালফ ৩x (১ + ১=২ বড়ি) ১৫/২০ মি. অস্তর প্রয়োগে কলেরায় ভাল ফল পাওয়া যায় (Strong Diarrhoea-তেও ইহা ব্যবহার করা যায়)। কলেরা ভীতি- কলেরার নাম শুনিলে ভয় পায়, বুঝি তাহাকে আক্রমণ করিবে লক্ষণে আর্সেনিক এলাম ২০০, দিনে ১ বার (৩ দিন সেব্য)। *শিশু কলেরায় পডোফাইলাম ২০০ বা হাজার সুন্দর কাজ দেয় (Dr. Rawat)। Asiatic কলেরায় Camphor drop doses ব্যবহার করবে এবং চর্মের উপর ঔষধ ঘষবে । বিঃ দ্রঃ কলেরায় স্যালাইন খাওয়াতে ভুলবেন না ।
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন