অনেকেরই আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে বা সামান্য ধুলোবালি ও ঠান্ডার সংস্পর্শে এলেই সর্দি-কাশি লেগে যায়। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানে 'ক্রনিক কোল্ড' বা অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হতে পারে। যখন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে, তখনই এই সমস্যা বারবার দেখা দেয়। হোমিওপ্যাথি কেবল সাময়িক উপশম নয়, বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে এই সমস্যা স্থায়ীভাবে দূর করতে সাহায্য করে।
লক্ষণভেদে কয়েকটি কার্যকরী ঔষধের নাম নিচে দেওয়া হলো:
Allium Cepa (অ্যালিয়াম সেপা): যদি নাক দিয়ে জল পড়ে এবং চোখ দিয়েও জল আসে, তবে এটি দারুণ কাজ করে।
Arsenic Album (আর্সেনিক অ্যালবাম): হাঁচি, সর্দি এবং সাথে অস্থিরতা বা পিপাসা থাকলে এটি কার্যকর।
Dulcamara (ডালকামারা): স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বা বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি লাগলে এটি প্রধান ঔষধ।
Calcarea Carb (ক্যালকেরিয়া কার্ব): যারা খুব সহজেই ঠাণ্ডা অনুভব করেন এবং যাদের ঘাম হওয়ার প্রবণতা বেশি, তাদের জন্য এটি উপযোগী।
Aconite (অ্যাকোনাইট): হঠাৎ করে ঠান্ডা বাতাস লেগে সর্দি বা জ্বর জ্বর ভাব হলে শুরুর দিকে এটি ফলদায়ক।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-সি যুক্ত ফল (যেমন: লেবু, আমলকী) গ্রহণ করা।
ঠাণ্ডা পানীয় বা অতিরিক্ত ফ্রিজের খাবার পরিহার করা।
ধুলোবালি থেকে বাঁচতে বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা।
কুসুম গরম পানি দিয়ে গার্গল করা বা ভাপ নেওয়া।
সর্দি লাগার স্বভাব যাদের সামান্য কারণে বা অকারণে ঘন ঘন সর্দি লেগে যায় তাদের জন্য বায়োকেমিক ফেরাম ফস ও ক্যালকে ফস (নাক চোখ দিয়ে পানি পড়লে ও হাঁচি থাকলে নেট্রাম মিউর সহ) কিছু দিন সেবনে ধাতু পরিবর্তন হয়ে সর্দি লাগার স্বভাব নিবারিত হয় । শক্তি ১২x - ২০০x পর্যন্ত। নিম্ন শক্তি (২ + ২) = ৪ বড়ি দিনে ২ বার, উচ্চশক্তিগুলো দিনে ১ বার ব্যবহার্য।
*সর্দিতে ঘ্রাণ শক্তি নষ্ট হয়ে গেলে ক্যাঙ্কে ফস ৩০x ও নেট্রাম মিউর ৩০x পর্যায়ক্রমে ব্যবহার্য। *হোমিওপ্যাথিক ঔষধ--ক্যাল্কে কার্ব বা হিপার (অথবা আর্স আয়োড) ব্যবহার করে পরে টিউবার বভি ব্যবহারে রোগ নির্মূল হয়। বুকে ঘড় ঘড় শব্দ থাকলে কেলি সালফ ১২x ব্যবহার্য । ধাতুগত চিকিৎসা উত্তম ।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-সি যুক্ত ফল (যেমন: লেবু, আমলকী) গ্রহণ করা।
ঠাণ্ডা পানীয় বা অতিরিক্ত ফ্রিজের খাবার পরিহার করা।
ধুলোবালি থেকে বাঁচতে বাইরে মাস্ক ব্যবহার করা।
কুসুম গরম পানি দিয়ে গার্গল করা বা ভাপ নেওয়া।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: সঠিক শক্তি (Potency) এবং মাত্রা নির্ধারণের জন্য একজন বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
হ্যাঁ, হোমিওপ্যাথি মানুষের জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করে, যার ফলে ঘনঘন সর্দি লাগার ধাত বা স্বভাব ধীরে ধীরে কমে আসে।
অবশ্যই। সঠিক মাত্রায় সেবন করলে শিশুদের জন্য হোমিওপ্যাথি অত্যন্ত নিরাপদ এবং কার্যকরী।
অ্যালার্জিজনিত সর্দির জন্য হোমিওপ্যাথি 'কনস্টিটিউশনাল ট্রিটমেন্ট' সেরা ফলাফল দেয়।
মোট 7টি ওষুধ
এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত
যোগাযোগ করুন