ক্ষত
All ৬ ভিউ

ক্ষত

রোগ সম্পর্কে

ক্ষত

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

১। ক্ষত স্থানে অত্যন্ত বেদনা থাকিলে, এসাফিটিডা ২০০. দিনে ১ বার লম্বা হাঁড়ে ক্ষত হইলে এঙ্গুষ্ঠেরা ২০০, তিন দিন অন্তর ১ মাত্রা। ৩। লম্বা হাড়ের ক্ষতের সহিত উদরাময় থাকিলে ট্রনসিয়াম কার্ব ২০০, ৪ দিন অন্তর ১ মাত্রা। ৪। হাড়ের উপরিভাগে তিবলি থাকিলে এবং উহাতে ক্ষত হইলে ক্যাল্কেরিয়া ফ্লোর ২০০, ২/৩ মাত্রা দিয়া পরে উচ্চ শক্তি ব্যবহার্য। ৫। নাকের হাড়ের ক্ষতে অরাম মেট ২০০, সপ্তাহে ১ বার। ৬। সিফিলিসের দোষ হইতে ক্ষত হইলে হিপার সালফ, মার্কসল, নাইট্রিক এসিড-যে কোন একটি ২০০ হইতেউচ্চশক্তি ব্যবহার্য ৭। পুঁজ নিঃসরণযুক্ত নালী ক্ষতে সাইলিসিয়া ২০০ থেকে। ৮। ক্ষত স্থানে মামড়ী পড়িলে ও অসহ্য চুলকানি থাকিলে মেজিরিয়াম ২০০ হইতে উচ্চশক্তি । ৯। মুখের ভিতর হইলে বোরাক্স, কেলিক্লোরিকাম ৩০. দিনে ২ বার। ১০। গলার ক্ষতে ফাইটোলাক্কা ৩০. দিনে ৩ বার । ১১। জিহ্বার ক্ষতে মার্চ, সল বা ক্রিয়োজোট ৩০. তিন ঘন্টাস্তর। ১২। শয্যা ক্ষতে আর্নিকা বা পাইরোজেন ২০০, ২/১ ডোজ। ১৩। পাকস্থলীর ক্ষতে ইউরেনিয়াম নাইট্রিকাম ৩০, দিনে ২ বার। ১৪। মাংসের উপর ক্ষতে কেলিৰাই ২০০ ে বার। উপদেশ-শরীরের উপরিভাগে ক্ষতে ইচিনেশিয়া বা হাইড্রাষ্টিস (Q) দ্বারা লোশন করিয়া ধৌত করা বিধেয়। ১৫ ক্ষতে জ্বালা-জ অধ্যায়ে দেখুন। ১৬। দুষিত ক্ষতে ষ্ট্যাফাইলোককসিন বা ষ্টেপটোকসিন ২০০ দিনে ২ বার (সকালে ও বিকালে) সেবনে ভাল ফল পাওয়া যায়। ১৭। ক্ষত চিহ্ন দূর করিতে থিয়োসিনামিন ২০০, দিনে ২ বার। ১৮। উৎকট ক্ষতে ভীষণ জ্বালা লক্ষণে (ঠান্ডায় উপশম) এনথ্রাক্সিনাম ২০০, চার ঘন্টাত্তর। ১৯। নাসিকার মধ্যে পচনশীল ক্ষতে অরাম মেট বা ক্যাডমিয়াম সালফ ২০০, দিনে ১ বার। ২০। নাক, মুখ ইত্যাদির উপর লুপাস জাতীয় ক্ষত লক্ষণে ক্যাল্কেরিয়া সালফ ১২x দিনে ২ বার। ইহাতে সিস্টাস- ক্যান, হাইড্রোসট্রিস, হাইড্রোকোটাইল ভাল কাজ দেয়। ২১। জিহবা ও ঠোঁটের উপর ক্ষতে কলোফাইলাম ৩০. তিন ঘন্টান্তর। ২২। জিহ্বার উপর সাদা সাদা ক্ষতে কার্বো ভেজ ৩০, তিন ঘন্টাত্তর অথবা কেলি মিউর ৬%, ২ বড়ি দিনে ২ বার। ক্ষতে জ্বালা- ব্যথা ঠান্ডায় আরাম লক্ষণে লিডাম, এসিড ফ্লোর, পালস। আর গরমে আরাম-আর্স, সাইলি, ল্যাকেসিস, নাইট্রিক এসিড। ২৩। যাবতীয় আঘাতজনিত ক্ষতের মহৌষধ ক্যালেন্ডুলা Q/৩০ ব্যবহার্য। ২৪। আগুনের মত লালবর্ণের ক্ষতসমূহ সিনেবারিস ১x ৩x (ডাঃ বরিক)। ২৫। শয্যাক্ষত কার্বো-ভেজ ৩০/২০০ ।২৬। ক্ষত যাহা সহজে ভাল হইতে চায় না (জ্বালকর বেদনা) কার্বো- ভেজ ২০০ ক্রমোন্নত মাত্রায় ব্যবহার্য । ২৭। বার্ধক্যে পচনশীল ক্ষত যাহা পায়ের আঙ্গুলে শুরু হয় কার্বো-ভেজ (ডাঃ বরিক) ২০০ থেকে সেব্য । ২৮। জিহ্বা ও ঠোঁটের উপর সরের মত সাদা ক্ষত কলোফাইলাম (স্থানীক Q ও অভ্যন্তরীণ ৩০/২০০ থেকে) ব্যবহার্য । ২৯। শুকনা জাতীয় দুর্গন্ধপূর্ণ পচনশীল ক্ষত (বার্জার) কার্বো-এনি, এসিড নাইট্রক, কেলি-আয়োড

 

২০০ থেকে ।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন