কৃমি
All ১৪ ভিউ

কৃমি

রোগ সম্পর্কে

কৃমি

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

১। প্রায় সকল প্রকার ক্রিমিতেই বয়স অনুযায়ী কুপ্রাম অক্সিডেটাম ৩, ১-৩ গ্রেন পরিমান সকালে কিছু খাওয়ার পর ১ মাত্রা এবং রাত্রে নিদ্রার পূর্বে নাক্স ৩০ দিলে সুন্দর ফল পাওয়া যায় Dr. Zoply সাহেবের ৬০ বৎসরের অভিজ্ঞতা থেকে এটা জানা গেছে (ডাঃ বরিক)। ২। নাক খোঁটা, দাঁত কড়মড় করা, ঘুমের মধ্যে চমকাইয়া উঠা, খিটখিটে মেজাজ, খুব ক্ষুধা অথবা ক্ষুধাহীনতা, চোখের কোনে কালি জমা বা মুখের চারদিকে Blue ring or gray steak, উপর হইয়া শয়ন লক্ষণে সিনা ২০০, দিনে ১ বার, ৩ দিন সেবা। *৩। কৃমির কারণে পেট ব্যথা করিলে সেবাডিলা ৩x, বা স্ট্যানাম ৩x ১ গ্রেগ আধ ঘন্টাস্তর ২/৩ ডোজ অথবা সাইলিসিয়া বা নেট্রাম ফস ৩x, ব্যবহার্য। ৪। শিশু অনবরত গ্রহ্যদ্বার চুলকায়, গুহ্যদ্বারে ছোট কৃমি ঘুরিয়া বেড়ায়, নিদ্রিত অবস্থায় কৃমি মলদ্বারের বাহিরে চলিয়া আসে লক্ষণে ইন্ডিগো ৩x অথবা টিউক্রিয়াম ৩x দিনে ৩/৪ বার, ২ দিন সেব্য । অথবা মার্কসল হাজার সকালে ১ বার, ২ দিন। ৫। মলের সহিত অসংখ্য ছোট কৃমি নির্গত হইলে স্পাইজেলিয়া ৩, দিনে ৪/৫ বার, ৩ দিন সেব্য ছোট ছোট কৃমিতে সিনাপিস নাইগ্রা, আর্টিকা ইউরেন্স, রেটানহিয়া, গ্রেনেটাম, আটিষ্টা ইন্ডিকা-যে কোন একটি ৩ দিনে ৪/৫ বার সেবনে সুন্দর ফল দেয় । *৬। মুখ দিয়া এবং মলের সাথে বড় কৃমি (কেঁচো কৃমি) বাহির হইলে সোডিলা ৩, দুই ঘন্টাত্তর অথবা সিনা ৩x দুই ঘন্টাস্তর ৫/৬ ডোজ সেবনীয় ।

*৭। ডাঃ এলেন বলেন-সিরিনাম ২০০ দুই দিন অন্তর ১ মাত্রা (মোটা ৩ মাত্রা) সেবনে কেঁচো কৃমি বাহির হইয়া যায় । *৮ । ডাঃ বরিকের মতে মানব দেহের সকল প্রকার কৃমির মহৌষধ চিলোন গ্লাব্রা। ইহার Q, পাঁচ ফোঁটা পরিমাণে দিনে ১ বার (৪/৫ দিন সেব্য) । ৯ । ফিতা কৃমির সুন্দর ঔষধ এ্যানেটাম বা ফিলিক্স মাস ৩x দিনে ২ বার (৪/৫ দিন সেব্য)। *১০। কৃমির কারণে আক্ষেপ দেখা দিলে সিনা ৩x ১০/১৫ মি. অন্তর অথবা কুপ্রাম মেট ৩০, এক ঘন্টাস্ত র কিংবা প্যাসিফ্লোরা Q, দশ ফোঁটা মাত্রায় আধ ঘন্টাত্তর । *১১। বায়োকেমিক কেলিমিউর ৬x সকালে গরম পানিসহ ৫ বড়ি ও রাত্রে নেট্রাম ফস ৩x, ৫ বড়ি কিছুদিন সেবনে সকল প্রকার কৃমি নিশ্চিহ্ন হইয়া যায়। (শিশুদের জন্য ২ বড়ি)। ১২। হুকওয়ার্ম এর জন্য চেনোপোডিয়াম এনথেলমিন্টিকাম ৩০, দিনে ২ বার । ১৩। কৃমির জন্য জ্বর হইলে সিনা ৩০ তিন ঘন্টাত্তর অথবা জ্বর সহ আমাশয় থাকিলে আটিষ্টা ইন্ডিকা ( তিন ফোঁটা মাত্রায় ৪ ঘন্টাত্তর প্রয়োগ বিধেয়। ১৪ । কৃমিজনিত টেরা দৃষ্টিতে সিনা ২০০, স্পাইজেলিয়া ২০০, নেট্রাম ফস ২০০x, যে কোন একটি সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার্য।

১৫ । জিয়ার্ডিয়া-জ অধ্যায়ে দেখুন । মলদ্বারে ছোট কৃমির উৎপাত তৎক্ষনাৎ বন্ধ করার জন্য রেটানহিয়া Q অলিভ ওয়েলের সাথে মিশিয়ে তথায় লাগাবেন। ১৬। কেঁচো ও সূতা কৃমির জন্য চিলোন গ্লাব্রা সুন্দর ঔষধ (ডাঃ বরিক)।

 

বিঃ দ্রঃ কৃমির একটি সাধারন চিকিৎসা--রোজ ১ বার করে সকালে ৪ দিন সিনা ২০০ দিবে। ১ সপ্তাহ পর সালফার ২০০ এক ডোজ দিবে। তারপরও কৃমির উপদ্রব থেকে গেলে ঐ ব্যবস্থাটা Repeat করবেন ।কৃমির উপদ্রব একটি সোরিক সমস্যা। ধাতুগত ভাবে এর = সমাধান করার জন্য সহজতর উপায় হলো সালফার ২০০ দিয়ে = চিকিৎসা আরম্ভ করা। সপ্তাহ খানেক পর রোগীর ধাতুগত ঔষধটি প্রদানে রোগী নির্মল আরোগ্য হয় ।

কৃমি ধাতুতে সদৃশ্য ঔষধে যেখানে কাজ হয় না অথবা আংশিক কাজ করে সেখানে কার্সিনোসিন আরোগ্য করে । ২০০ থেকে সেবা ।

 

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন