কাশির ঔষধ নির্ঘন্ট
All ৮ ভিউ

কাশির ঔষধ নির্ঘন্ট

রোগ সম্পর্কে

কাশির ঔষধ নির্ঘন্ট

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

১। কাশি-রাত্রে শয়নে বাড়ে (উঠে বসলে কমে) : আর্স, ড্রসেরা, হায়োসি, মিউরেক্স, কোনিয়াম, স্যাঙ্গুইনে-ক্যান, স্পনজিয়া, মার্কসল, রাসটক্স ।

 

২। বালিশে মাথা লাগাইলেই বাড়ে-বেল, ড্রসেরা, হায়োসী। ৩। কাশি শয়নে উপশম ম্যাঙ্গেনাম, ফেরামমেট, কেলিবাই, ক্যান্ডেস ।

 

৪। কুকুরের ডাকের মত কাশি বেল।

 

৫। কাশির সময় দুরবর্তী স্থানে ব্যথা-ক্যাপসিকাম (ডাঃ ন্যাস) । ৬। ঘুম থেকে জাগলে কাশি বৃদ্ধি ক্যাপসিকাম ৩০, ব্রায়ো ৩০, নেট্রাম মিউর ৩০, সালফার ৩০।           ৭। বসলে বাড়ে (হাঁটলে উপশম) আর্স, ফেরাম, পালস, সিপিয়া,ইগ্লেসিয়া, রাস।

৮। সন্ধ্যারাত্রে বাড়ে-কোনি, পালস, ফস, ক্যাঙ্কে আয়োডে।

৯।প্রথম ঘুমের পর কাশির বৃদ্ধি-এরেলিয়া, হায়োসি, ল্যাকে,সোরিন, সেন্ধুকাস।

১০। মধ্য রাত্রে বৃদ্ধি-ড্রসেরা, স্পঞ্জিয়া।

১১। ভোর/শেষ রাত্রে বৃদ্ধি-কেলিকার্ব, কেলি বাই, নেট্রাম সালফ, হিপার, ল্যাকে।

১২। সন্ধ্যা থেকে রাত্র ১০টা পর্যন্ত বৃদ্ধি - ফসফরাস। ১৩। কেবল দিনের বেলায় কাশি-ষ্ট্যাফি, কোডেইনাম ।

১৪। কাশি চলাফেরায় বৃদ্ধি-ম্যাঙ্গেনাম, ব্রায়ো । ১৫। কাশি চলাফেরায় উপশম-ফেরাম, পার্লস, সিপি, ইগ্নে, রাস

১৬। কাশতে ২ নিদ্রা থেকে জেগে যায়-বেল, কুপ্রাম, ল্যাকে।

১৭। ঘুমের মধ্যে কাশে ক্যামোমিলা। ১৮। সকালে ঘুম থেকে উঠলে কাশি বাড়ে-ল্যাকেসিস ।

১৯। কাশতে কাশতে বেঁকে যায় কুপ্রাম।

মুখ নীল হয়-ল্যাকে, কুপ্রাম,

 

.. হাত মুঠা করে কুপ্রাম কোরালিয়াম।

 

চোখে রক্ত আসে- বেল, কার্বভেজ । চোখ, নাক থেকে রক্ত স্রাব-কার্বভেজ।

 

মুখ লাল হয়-বেল, কার্বভেজ ।

 

বুকে হাত দেয়-ব্রায়ো, ড্রসেরা, সিপিয়া, নেট-সালফ।

 

 প্রস্রাব করে কষ্টি, পালস, নেটমি, ফস

২০। ভীষণ আক্ষেপিক কাশি, রাত্রে বৃদ্ধি। শিশু নীল হইয়া যায়, তাকে উঠাইয়া ধরিতে হয়। কাশি এতই তীব্র যেন প্রত্যেক কাশির ধমকে মরে যাবে-মেফাইটিস ৩০ দুই-এক ঘন্টা পর পর।

২১ । ঘুম থেকে শ্বাসরোধ হইয়া জাগিয়া উঠে তৎসহ প্রবল কাশি উৎকণ্ঠা ও শ্বাসকষ্ট থাকে স্পঞ্জিয়া ৩০ দিনে ৩ বার ।

 

২২। হাসলে, কথা বললে, পড়লে কাশি বাড়ে-আর্জমেন্ট, স্পাঞ্জিয়া,

 

ফস, ড্রসেরা, ষ্ট্যানাম ।

 

২৩। কাশির সাথে সারা শরীরে কাঁপে ফসফরাস ২০০ থেকে ব্যবহার্য।

 

২৪ বাম কাৎ বা চিৎ হয়ে শুইলে কাশি বাড়ে (অপরিচিত লোকের নিকটে গেলে) ফসফরাস।

 

২৫। শীতকালে কাশির বৃদ্ধিতে পেট্রোল, সোরিন, ইথাইলাম, ডালকা (শুকনা ও বিরক্তিকর), জাষ্টিসিয়া ৩x, স্পঞ্জিয়া ৩০। ২৬। গরম পানি পানে কাশির উপশম আর্স, লাইকো, রাস, স্পঞ্জিয়া, সাইলি । ঠান্ডা পানি পানে উপশম কষ্টিকাম, কুপ্রাম।

 

২৭। ঠান্ডা বাতাসে কাশি বৃদ্ধি রিউম্যাক্স। ২৮ । হুপিং কাশি (১) রোগের প্রথম দিকে কার্বভেজ সুন্দর ঔষধ । অথবা ২। (ক) ড্রসেরা বা বেল (খ) কুপ্রাম বা বেল ৩০ শক্তিতে ৪/৫ ঘন্টাস্তর ব্যবহার্য (অনেকে এই ঔষধগুলো পর্যায়ক্রমে ব্যবহারের কথাও বলেন) ।

 

২৯। গলা সুড় সুড় করে খুসখুসে কাশি- এমন ব্রোম, ওলিয়াম জেকোরিস (ডাঃ বরিক), ব্রোমিয়াম, ক্যাঙ্কে-কার্ব (ডাঃ কেন্ট), সিমিসিফিউগা ৩. রিউমেক্স, কক্কাস ক্যাকটি, স্যাম্পু-নাইট্রিকা, ষ্টিকটা-পাল । ল্যারিংসে সুড়সুড়ি-এলুমিনা। রাত্রে ও কথা

 

বললে বাড়ে-সিমিসি।

 

৩০। শ্বাসনালীর উর্ধ্বভাগে সুড়সুড়ি-কক্কাস ক্যাকটি ৩০, বুকে সুড়সুড়ি দিয়ে কাশি-মাইট্রাস কমিউনিস, সিপিয়া ৩০ থেকে বুকের হাড়ের পেছনে সুড়সুড়ি দিয়ে কাশি সাঙ্গুনেরিয়া ক্যান ৩০।

৩১ । শুকনা কাশি-সকালে ও রাত্রে বৃদ্ধি, ফুসফুস থেকে রক্তস্রাব হয়-একালাইফা ইন্ডিকা ৩x (ডাঃ বরিক) । কঠিন কাশি দেহকে নাড়া দেয় কষ্টিকাম (ডাঃ কেন্ট) । কাশির সময় বুকে ব্যথা ব্রায়ো, কষ্টি ৩০ থেকে। কাশি শুধু দিনে (বিকালে) থুজা ৩০। বিছানার গরমে কাশি বৃদ্ধি কষ্টিকাম (ডাঃ সরকার)। ঠান্ডা বাতাসে ঘুরে ল্যারিংসে খুশ খুশে কাশি ক্যাঙ্কে ফ্লোর (ডাঃ কেন্ট)। কাশি যেন পিপা বা ব্যারেল থেকে আওয়াজ হচ্ছে কষ্টিকাম (ডাঃ কেন্ট)। কাশির সময় দূরবর্তী স্থানে (মূত্রাশয়, পা, কান) ব্যথা হয় ক্যাপসিকাম ৩০। আহারের পর কাশি চায়না, ব্রায়োনিয়া ৩০। কণ্ঠনালীতে শ্বাস গ্রহণকালে সুড়সুড়ি ব্রোমিয়াম ৩০ । সকালে কথা বললে বা গান গাইলে কাশি এলুমিনা ৩০।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন