কম্পন /স্পন্দন
All ১৬ ভিউ

কম্পন /স্পন্দন

রোগ সম্পর্কে

কম্পন /স্পন্দন

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

১। সারা শরীরে কম্পন (ঘুমাইলে বন্ধ থাকে), কম্পন কোনাকুনি ভাবে চলে, শরীরে সুড় সুড়ানি ও চুলকানি লক্ষণে এগারিকাস মাস্কেরিয়াস ২০০, দিনে ১ বার। ২। মুখের পেশীয় কম্পনে মাইগেল ২০০, দিনে ১ বার। ৩। জরায়ুর দোষের জন্য বাম অঙ্গের পেশীর কম্পনে একটিয়া রেসি ২০০, দিনে এক বার । ৪। ডান হাত ও ডান পায়ের পেশীয় কম্পনে ট্যারেনটুলা কিউ ২০০, সপ্তাহে ১ বার। সমস্ত শরীরের পেশীই নাচে (তবে হাতের আঙ্গুলই বেশি) হাইয়োসিয়েমাস ২০০, দিনে ১বার। ৫। উম্মাদ লক্ষণের সহিত সারা শরীরের পেশীর কম্পনে ট্র্যামোনিয়াম ২০০ দিনে ২ বার। ৬। পা দুইটির অবিরত কম্পনে (নাড়ানো) জিঙ্কামমেট হাজার সপ্তাহে ১ বার। ৭। হাত পায়ের কম্পনে কষ্টিকাম ২০০, সপ্তাহে ১ বার। ৮। লিখিবার সময় মাথা আপনিই কাঁপে লক্ষণে কষ্টিকাম হাজার সপ্তাহে ১ বার প্রায় অব্যর্থ। ৯। কেরানীদের হস্ত কল্পনে সাইক্লামেন ২০০, সপ্তাহে ১ বার অথবা জেলসিমিয়াম ২০০, সপ্তাহে ১ বার। ১০। অনিচ্ছাকৃত মস্তক কম্পন লক্ষণে ইন্ডিকা ২০০, দিনে ১ বার। ক্যানাবিস ১১। শরীরের কোন অংশ কাঁপা, কিছু ধরিবার সময় হাত কাঁপা, কথা বলিবার সময় জিহবা কাঁপার জন্য অস্পষ্ট কথায় কষ্টিকাম হাজার হইতে উচ্চশক্তি। ১২। লিখিবার সময় আঙ্গুল কাঁপা ও সরিয়া যাওয়া ট্র্যামোনিয়াম(এগারিকাস) হাজার হইতে উচ্চশক্তি। ১৪। লিখিতে হাত কাঁপে ও আঙ্গুল ধাক্কা দিয়া সরিয়া যায় ষ্টেনাম মেট হাজার হইতে উচ্চশক্তি। ১৫ । কোন কিছু ছাড়াই শরীর থর থর করিয়া কাঁপা জেলস, আর্ণিকা, সিমিসি-যে কোন ১টি উচ্চশক্তিতে। ১৬। হাতের আঙ্গুল সহ কব্জি পর্যন্ত কাঁপে লক্ষণে কেলিব্রোম ২০০, ২ দিন পর পর। ১৭। লিখিবার সময় হাত মাথা (কষ্টিকাম) ও সর্বাঙ্গ কাঁপে ফসফরাস। ১৮। মুখ, হাত, চোখের পাতা, ঠোঁট ও পায়ের গোড়ালীর কম্পনে এগারিকাস ৩০. দিনে ২/৩ বার সেব্য ।

 

বি : দ্র ঃ ঔষধ প্রয়োগের সময় রোগীর ধাতুগত অবস্থার দিকে নজর রাখবেন ।

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন