ইনফ্লুয়েনজা
All ৮ ভিউ

ইনফ্লুয়েনজা

রোগ সম্পর্কে

ইনফ্লুয়েনজা

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

১। ইনফ্লুয়েলার শ্রেষ্ঠ ও অব্যর্থ ঔষধ জেলসিমিয়াম ৩০. তিন ঘন্টাস্তৱ । মুখ থমথমে, মাথাভার ও ব্যথা, পীঠে টাটান ব্যথা, শীত শীত ভাব, অবসন্নতা ও কম্পন ইহার প্রধান লক্ষণ। ২। পীপাসা ও হাঁড়ে অসহ্য ব্যথা, শীতশীত ভাব, মাথা বেদনা লক্ষণে ইউপেটো পার্ক ৬. ১ ঘন্টান্তর । ৩। প্রবল হাঁচি, নাক চোখ দিয়ে জ্বালাকর সর্দি গ্রা, পিপাসা, জ্বর অস্থিরতা ইত্যাদি লক্ষণে আর্সেনিক ৬. ২ ঘন্টান্তর ৩/৪ ডোজ। ৪। ভয়ানক সর্দি, হাঁচি মাথাব্যথা ও শুকনা কাশি লক্ষণে ঠিকটা পালমো ৬, ১ ঘন্টাত্তর। ৫। চোখ দিয়া জ্বালাজনক স্রাব নির্ণত হইলে ইউফ্রেসিয়া ৩০, ৩ ঘন্টাস্তব, আর নাক হইতে প্ৰাৰ নিৰ্গত হইলে এলিয়াম সেপা ৩০, ২ ঘণ্টাস্তব। ৬। ইনফ্লুয়েঞ্জার সহিত পাতলা দুর্গন্ধযুক্ত পায়খানা হইলে ব্যাপটিসিয়া ৩০. দুই ঘন্টার । ইনফ্লুয়েঞ্জায় টেরামাইসিন ৩০, ৩ ঘণ্টাস্তৱ সুন্দর কাজ করে । ৮। ওসিমাম স্যাঙ্কটাম ৩x, দুই ঘন্টাস্তর প্রয়োগে ইনফ্লুয়েঞ্জায় সুন্দর ফল পাওয়া যায়। ৯। ইউকেলিপটাস ৬, এক ঘন্টান্তর। *১০। প্রবল সর্দি ও হাঁচি লক্ষণে নেট্রাম মিউর ৩০, ১ প্রতিষেধক হিসাবে ইনফ্লুয়েঞ্জিনাম ২০০ এক মাত্রা ৩ দিন অন্তর সেব্য। (অনেকে আর্সেনিক ২০০, ১ মাত্রা দেওয়ার কথা বলেন)। ১১। বায়োকেমিক নেট্রাম সালফ ৬x ও ফেরাম ফস ৬x প্রত্যেকটি হইতে ২টি করে ৪ বড়ি ২ ঘন্টান্তের অব্যর্থ। প্রতিষেধক হিসাবে মিউকোবার ৩০ দিনে ২ বার (২ দিন সেবা)। ইহা আরোগ্যকারী ঔষধও। ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের পরবর্তী দুর্বলতায় ক্যাঙ্কে ফস, সোরিনাম বা সার্কোলাকটিক এসিড ২০০ আট ঘন্টাত্তর ২/৩ মাত্রা সুন্দর কাজ করে। ১২। ইনফ্লুয়েঞ্জায় হাত-পায়ের ব্যথায় মনে হয় কেউ যেন সেগুলি লাঠি দিয়ে পিটিয়েছে কষ্টিকাম (ডাঃ কেন্ট), ২০০ ক্রমোন্নত এই রোগের প্রারম্ভে Oscilococcinum ২০০ ২/৩ ঘন্টাত্তর নিরাময় করে (ডাঃ রবিন মার্ফি)

জাহিদুল

মানুষ হবার চেষ্টায় আছি

আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী...

শেয়ার করুন