টার্ম পেপার কি ও কি করে টার্ম পেপার লিখতে হয়


টার্ম  পেপার  লিখতে  ও   লেখার নিয়ম জানতে হলে দেখুন , রাষ্ট্রবিজ্ঞান ,অর্থনীতি ও হিসাববিজ্ঞান বিভাগ সহ বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক  শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ।

টার্ম পেপার হল একটি সেমিস্টারের শেষে প্রয়োজনীয় একটি গবেষণাপত্র । এটি কোর্স সম্পর্কে ছাত্রদের জ্ঞান এবং মেধার মূল্যায়ন করে। সাধারণত টার্ম পেপার প্রতিবেদন বা একটি নির্ধারিত বিষয়ের আলোচনা,যা গবেষণা করে লিখতে হয় ।

 টার্ম পেপার এ যা যা থাকবে

- ১.কভার পেজ

২.নাম অ্যান্ড Registration পেজ

৩. প্রতিবেদন

৪. সূচিপত্র

৫. প্রত্যয়ন পত্র ,

উদাহরণ  হিসাবে একটি নমুনা কপি দেয়া হলো 

                                                                                                              মুখবন্ধ


জ্ঞানের একটি শাখা হিসাবে কি উন্নত কি  ? উন্নয়নগামী  রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যায়নের ও গবেষনা কাজ এগিয়ে চলছে । গবেষনা হলো সত্য অনুসন্ধানের বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া । বর্তমান সমাজ জীবনে বহুমুখী সমস্যা অনুধাবন এবং তার কারণ নির্ণয় গবেষনা প্রয়োজনীয়তা অনুস্বীকার্য । 

     
          আমি  ( কলেজের  নাম ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের  (year name ) বর্ষের  ছাত্রী । জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরয়ের অধীনে ২য় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান     বিভাগের ,কোর্সের আংশিক স্বার্থপূরণার্থে আমার গবেষনা মূলক টার্ম পেপার প্রতিবেদন মূলক লিখন ।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাকে  “(টার্ম পেপার NAME)’’ টার্ম   পেপার প্রস্তুতের দায়িত্ব দেওয়া হয়  ।  আমি আমার গবেষনা প্রতিবেদনে বাস্তবতার সাথে তুলে ধরার চেষ্টা করছি ।


 

                                                                                        কৃতজ্ঞতা স্বীকার

সম্মান  ২য় বর্ষের ছাত্রী হিসাবে আবশ্যকীয় নিবন্ধন রচনা স্বার্থকভাবে সম্পূর্ন করা এক প্রকার কঠিন কাজ । এজন্য প্রয়োজন নানাবিধ বইপত্র,নির্দেশনা, সাহায্য সহযোগিতা, প্রয়োজন ধর্য্য ও কর্ম প্রটুতা । এই গবেষনা সম্পন্ন করতে গিয়ে, প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত যারা এ বিষয়ে আমাকে সাহায্য সহযোগিতা ও সহানুভূতি প্রদান করেছেন তা না হলে আমার গবেষনা কাজটি অসম্পন্ন থেকে যেত । সে কারণে এসব সুহৃদয় ব্যাক্তির নিকট আমি কৃতজ্ঞ । আমার এই টার্ম পেপারটি সম্পন্ন করতে গিয়ে যার কাছে সর্ব প্রথম কৃতজ্ঞ স্বীকার করতে হয় তিনি হলেন আমার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক  জনাব.....ইসলাম  ।


    তিনি আমার এ গবেষনা কাজ সম্পন্ন করতে প্রথম শেষ পর্যন্ত সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়েছেন বলে আমি যথাযথ ভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছি । এজন্য আমি তার নিকট আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞ ও ঋণ স্বীকার করছি । এছাড়াও আমি আমার বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক মন্ডলি এবং আমার নিকট বন্ধুগণকে সমভাবে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি । কারণ তারা আমাকে নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতা করেছেন ।