সাইনাস
All ৩২ ভিউ

সাইনাস

রোগ সম্পর্কে

সাইনাস

বিস্তারিত চিকিৎসা পদ্ধতি

সাইনাসের লক্ষণগুলো কী কী?

সাইনাসের সমস্যা হলে সাধারণত নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়:

  • মাথাব্যথা ও মুখের ভারী ভাব: বিশেষ করে কপাল, চোখ এবং নাকের চারপাশে ব্যথা অনুভূত হওয়া।

  • নাক বন্ধ থাকা: নাক দিয়ে ঠিকমতো শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।

  • নাক দিয়ে পানি পড়া: ঘন বা হলদেটে রঙের সর্দি হওয়া।

  • গলা ব্যথা ও কাশি: নাকের পেছনের শ্লেষ্মা গলার ভেতর দিয়ে নামার কারণে কাশি হতে পারে।

  • ঘ্রাণশক্তি কমে যাওয়া: নাকে জ্যাম থাকার কারণে কোনো কিছুর গন্ধ ঠিকমতো পাওয়া যায় না।

কেন হয়?

  • ঠান্ডা লাগা বা ফ্লু।

  • ধুলোবালি বা অ্যালার্জি।

  • নাকের হাড় বাঁকা থাকা।

প্রতিকার ও পরামর্শ

১. প্রচুর পানি পান করা: পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাবার খেলে নাকের শ্লেষ্মা পাতলা থাকে, ফলে সহজে বেরিয়ে আসতে পারে। ২. ভাব নেওয়া: গরম পানির ভাপ নিলে বা স্টিম নিলে সাইনাসের অস্বস্তি অনেকটা কমে। ৩. বিশ্রাম: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম জরুরি। ৪. চিকিৎসকের পরামর্শ: যদি সমস্যাটি অনেক দিন ধরে থাকে (ক্রনিক সাইনোসাইটিস) বা তীব্র জ্বর ও প্রচণ্ড ব্যথা হয়, তবে অবশ্যই একজন  (ENT Specialist) দেখাতে হবে।

 

সাইনাস-(নাকের গোড়া ও কপালে ব্যথা) ইহাতে নেট্রাম আর্স, কেলি বাই, কেলি আয়োড, হিপার, সিমিসিফিউগা, ষ্টিকটা পালমো ২০০ থেকে সুন্দর কাজ দেয়। দিনে ১ বার সেব্য ।

রোগ সম্পর্কিত প্রশ্ন

সাইনোসাইটিস কি ছোঁয়াচে?

না, সাইনোসাইটিস নিজে ছোঁয়াচে নয়। তবে যদি এটি কোনো ভাইরাস (যেমন সর্দি বা ফ্লু) থেকে হয়ে থাকে, তবে সেই ভাইরাসটি একজনের থেকে অন্যজনে ছড়াতে পারে।

সাইনাস হলে কী কী খাবার এড়িয়ে চলা ভালো?

অ্যালার্জি আছে এমন খাবার (যেমন চিংড়ি, বেগুন বা ঠান্ডা পানীয়) এড়িয়ে চলা ভালো। অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দুগ্ধজাত খাবার (দুধ, ঘি) শ্লেষ্মা বা মিউকাস আরও বাড়িয়ে দেয়, সেক্ষেত্রে সেগুলো সাময়িকভাবে কমিয়ে দেখা যেতে পারে।

প্রস্তাবিত ওষুধ

মোট 1টি ওষুধ

হোসনেআরা হিমু

হোমিও বিশেষজ্ঞ

ডা. হোসনে আরা একজন অভিজ্ঞ ও সেবাপরায়ণ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। তিনি...

শেয়ার করুন

সংশ্লিষ্ট অন্যান্য রোগ

এই রোগের সাথে সম্পর্কিত আরও রোগ সম্পর্কে জানুন

আপনার কি আমাদের সাহায্য প্রয়োজন ?

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত

যোগাযোগ করুন