বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) বাংলাদেশের আইসিটি খাতের প্রধান জাতীয় সংগঠন। আমাদের সদস্যপদ, আইসিটি উদ্ভাবন, প্রযুক্তি মেলা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার...
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) বাংলাদেশের আইসিটি খাতের প্রধান জাতীয় সংগঠন। আমাদের সদস্যপদ, আইসিটি উদ্ভাবন, প্রযুক্তি মেলা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)-এর লক্ষ্য (Vision) এবং উদ্দেশ্য (Mission) নিচে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হলো, যা আপনি ওয়েবসাইট বা ব্রোশিওরে ব্যবহার করতে পারবেন:
বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, যা বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা অর্জন করবে। প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং অর্থনীতিতে আইসিটি খাতের অবদানকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।
ব্যবসায়িক উন্নয়ন: আইসিটি খাতের উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও তাদের ব্যবসায়িক প্রসারে কার্যকর ভূমিকা পালন করা।
নীতি নির্ধারণ: সরকারের সাথে সমন্বয় করে তথ্যপ্রযুক্তি বান্ধব জাতীয় নীতি ও আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করা।
দক্ষতা বৃদ্ধি: আইসিটি পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীদের জন্য নিয়মিত সেমিনার, ওয়ার্কশপ এবং প্রশিক্ষণের আয়োজন করে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
উদ্ভাবন প্রচার: তরুণ উদ্ভাবক ও স্টার্টআপদের জন্য উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং দেশীয় হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশ ঘটানো।
মান নিয়ন্ত্রণ: দেশের বাজারে আমদানিকৃত এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ডিজিটাল ডিভাইসের গুণগত মান নিশ্চিত করতে উৎসাহিত করা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ডিজিটাল ডিভাইস এবং উদ্ভাবন এক্সপো ২০২৬-এর মতো বড় আয়োজনগুলো এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নেরই একটি অংশ।
আপনার কি বিসিএস-এর অফিসিয়াল স্লোগান বা সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে কোনো তথ্যের প্রয়োজন আছে?
বিসিএস হলো বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) খাতের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবসায়ীদের প্রধান জাতীয় সংগঠন। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি দেশের আইসিটি শিল্পের অভিভাবক হিসেবে কাজ করছে।
এর প্রধান কাজ হলো আইসিটি ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা করা, সরকারের সাথে আইসিটি নীতি নির্ধারণে কাজ করা, এবং দেশে 'ডিজিটাল ডিভাইস ও উদ্ভাবন এক্সপো'র মতো বড় বড় প্রদর্শনী আয়োজন করে দেশীয় প্রযুক্তির প্রসার ঘটানো।
না, শুধুমাত্র তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত বৈধ ট্রেড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানই বিসিএস-এর সদস্য হতে পারে। কোনো ব্যক্তি বিশেষ সরাসরি সদস্য হতে পারেন না, তাকে অবশ্যই একটি আইটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে।
বিসিএস সরাসরি কোনো কোচিং সেন্টার নয়, তবে এটি সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত ওয়ার্কশপ, সেমিনার এবং বিশেষায়িত টেকনিক্যাল ট্রেনিংয়ের আয়োজন করে থাকে।
না। বিসিএস (BCS) প্রধানত কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সামগ্রিক আইসিটি অবকাঠামো নিয়ে কাজ করে। অন্যদিকে, বেসিস (BASIS) মূলত সফটওয়্যার এবং আইটি পরিষেবা (IT Services) খাতের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে। তবে উভয় সংগঠনই দেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একে অপরের পরিপূরক।
সদস্যদের জন্য নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ, সরকারি আইসিটি নীতিমালায় অংশীদারিত্ব, আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ এবং ব্যবসায়িক বিভিন্ন জটিলতায় আইনি ও নীতিনির্ধারণী সহায়তা পাওয়া যায়।