• https://www.kvi.cz/https://acehinvestment.com/https://online.thedivineclasses.in/course/BANKING-2https://www.darussalam.co.id/https://www.bongkarmuat.com/https://baturhotspring.com/https://www.michatbot.pro/https://apps.menjadiasn.com/https://www.ahlibeyt.ge/bilirsinizmi/https://www.ahlibeyt.ge/https://umai.in/https://bpsol.in/https://edinburgh-places.co.uk/https://feralscholar.org/https://sbocasino.shop/https://www.thefancan.com/https://sitampan.kamparkab.go.id/pajak-parkir/https://chandragiriprofile.com/https://unionelectronics.net/https://www.jakartatoyota.net/https://www.mentaribaliholiday.com/https://biolake.org/toto hkdata hktogelAngka HKAngka IndoAngka EmasNomer HKNomer SDYPrediksi SydneyPrediksi HKPrediksi TogelAngka Jitu SYDNomer Jitu 4DHasil HKHasil SDYHasil SGPKeluaran SGPNomer KeramatAngka Keramat 4DAngka Rejeki 2DAngka Hari IniNomer Hari IniAngka JPTogel Satellite KheteaseAngka KeluaranTogelTogel Hari IniTogelNomer JPKhoomey TogelAngka PeruntunganTogelAngka Jitu HKTogelKeluaran TogelTogelkeluaran macaudata duniabet303angka jitu hari ini
  • https://www.kvi.cz/https://acehinvestment.com/https://online.thedivineclasses.in/course/BANKING-2https://www.darussalam.co.id/https://www.bongkarmuat.com/https://baturhotspring.com/https://www.michatbot.pro/https://apps.menjadiasn.com/https://www.ahlibeyt.ge/bilirsinizmi/https://www.ahlibeyt.ge/https://umai.in/https://bpsol.in/https://edinburgh-places.co.uk/https://feralscholar.org/https://sbocasino.shop/https://www.thefancan.com/https://sitampan.kamparkab.go.id/pajak-parkir/https://chandragiriprofile.com/https://unionelectronics.net/https://www.jakartatoyota.net/https://www.mentaribaliholiday.com/https://biolake.org/toto hkdata hktogelAngka HKAngka IndoAngka EmasNomer HKNomer SDYPrediksi SydneyPrediksi HKPrediksi TogelAngka Jitu SYDNomer Jitu 4DHasil HKHasil SDYHasil SGPKeluaran SGPNomer KeramatAngka Keramat 4DAngka Rejeki 2DAngka Hari IniNomer Hari IniAngka JPTogel Satellite KheteaseAngka KeluaranTogelTogel Hari IniTogelNomer JPKhoomey TogelAngka PeruntunganTogelAngka Jitu HKTogelKeluaran TogelTogelkeluaran macaudata duniabet303angka jitu hari ini
  • যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা টার্ম পেপার-পার্ট-২

    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা-পার্ট-২

    ২৬ মার্চ ২০২২
    ১২:২২ AM
    ২১৫৭ views
    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা-পার্ট-২

    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা টার্ম পেপার |পার্ট-২

    শেয়ার:

       ৪র্থ অধ্যায়


    যৌক্তিকতা       
            বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার ব্যবস্থা তাদের সাফল্যের শর্তাবলি বিভিন্ন সরকার ব্যবস্থার দোষ গুন প্রবনতা ও সরকার ব্যবস্থার সমস্যা ইত্যাদি নিয়ে ব্যাপক মাত্রায় গবেষনা পরিচালিত হলেও এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা বিরল,


     কেননা এর পূর্বশর্ত বিরল এ বিষয় নিয়ে তেমন একটি গবেষনা পরিচারিত হয় নি । তাই যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা বিরল কেননা এর পূর্বশর্ত বিরল এ বিষয় নিয়ে একটি রুচিশীল বিচার বিশ্লেষনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারনা প্রদান করা হলো ।


      ৫ম অধ্যায়

    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য ঃ-
                          আধুনিক সরকার হিসেবে খ্যাত যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থার কিছু স্বকীয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে । যে গুলো অপরাপর সরকার ব্যবস্থার চাইতে বেশ ভিন্ন । নি¤েœ যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য সমূহ তুলে ধরা হল  ।

    ১.    দ্বৈত সরকার ব্যবস্থা ঃ
                   যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় দু- ধরনের সরকার বিদ্যমান । যথা ঃ কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রাদেশিক সরকার । এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার সমগ্র দেশের শাসন কার্য পরিচালনা করে আর প্রাদেশিক সরকার নিজ নিজ প্রদেশের শাসনকার্য পরিচালনা  করে । উভয় সরকারই সংবিধান কর্তৃক প্রদত্ত সমতা লাভ করে এবং স্ব স্ব ক্ষেত্রে তারা স্বতন্ত্র স্বাধীন ও সমমর্যাদা সম্পন্ন।

    ২.    লিখিত সংবিধান ঃ
                যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় কেন্দ্র ও আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ভাবে ক্ষমতা বন্টনের সংবিধান লিখিত হয় । সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনায় মূলনীতি ক্ষমতার পরিধি, নাগরিকদের মৌলিক অধিকার প্রভৃত বিষয় লিখিত অবস্থায় থাকে ।  

    ৩.    দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান  
                        দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান অনুসরন যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য । এ ধরনের সংবিধান সাধারন সংখ্যাগরিষ্ঠতার সংশোধন করা যায় না বিধায় জটিল পদ্ধতি অনুসরন করতে হয় ।

    ৪.    ক্ষমতার বন্টনঃ
             যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল আঞ্চলিক ক্ষমতার বন্টন । কেন্দ্রীয় সরকার ও আঞ্চলিক সরকার গুলোর মধ্যে  সংবিধানের আলোকে ক্ষমতা বন্টিত হয় । কেন্দ্রীয় সরকারের দায়িত্বে পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, মূদ্রা সংক্রান্তি বিষয়, অর্থাৎ  রাষ্ট্রের সামগ্রিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় সমূহ রেখে  শিক্ষা, স্বাস্থ্য,গৃহায়ন,খাদ্য, ও সেবার ন্যায় আঞ্চলিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ঠ বিষয় সমূহ প্রদেশিক সরকারের হাতে ন্যস্ত করা হয় । 

    ৫. প্রাদেশিক স্বায়ত্বশাসনঃ 
                  ক্ষমতা বন্টনের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার উৎপত্তি হলেও প্রাদেশিক সরকারগুলো সার্বভৌম থাকে না । বরং এগুলো সর্বাধিক স্বায়ত্বশাষন ভোগ করে । প্রাদেশিক  স্বায়ত্বশাসন যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য ।   

    ৬.সংবিধানের প্রাধান্য ঃ     
                 যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয় ।  এক কেন্দ্রীক সরকারে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাধান্য পরিলক্ষিত হলেও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারে কেন্দ্রীয় বা আঞ্চলিক কোন সরকারের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত না হয়ে সংবিধানের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয় ।

    ৭. দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা ঃ
                    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারনত দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা বিদ্যমান । উচ্চকক্ষ ও নি¤œকক্ষ, উচ্চকক্ষ সাধারণত অঙ্গরাজ্যে সমূহের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এবং নি¤œ কক্ষ জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধির সমন্বয়ে  গঠিত হয়  ।   

    ৮. দ্বৈত নাগরিকত্ব ঃ
                   যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে দ্বি নাগরিকত্ব  পরিলক্ষিত হয় । এক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক ফেডারেল সরকারের নাগরিকত্ব পাশাপাশি তার নিজস্ব অঙ্গরাজ্যের নাগরিকত্ব লাভ করে । 


    ৯. দ্বৈত আইনঃ 
                  যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় দুই ধরনের আইন বিদ্যমান । একটি কেন্দ্রীয় অপরটি প্রাদেশিক আইন  । কেন্দ্রীয় ক্ষমতা বলে আইন প্রনয়ন করা হয় । এছাড়াও আইনসভার মাধ্যমে প্রাদেশিক আইন প্রনয়ন করা হয় । 


    ১০. বিচার বিভাগের প্রধান্য :
                      বিচার বিভাগের প্রাধান্য যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় অন্যতম  প্রধান মৌলিক বিষয় । এ ধরনের শাসন ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ ও নিরপেক্ষতার পরিচয় দান করে  বিচার বিভাগ সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে ।
      সংবিধান এর ব্যাখা প্রসঙ্গে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে মত বিরোধ দেখা দিলে  বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গন্য হবে । 

    ১১. সম-মর্যাদাঃ
                 যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় অঙ্গরাজ্য বা আঞ্চলিক সরকার গুলোর মধ্যে সমমর্যাদা বিদ্যমান থাকে । 
    অর্থাৎ প্রত্যেক রাষ্ট্র এবং এর নাগরিকগন কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট সমমর্যাদা ও অধিকার পেয়ে থাকে । এসব ব্যাপারে কোন প্রকার বৈরী মৌনভাব পোষন করা হয় না । 
     

       ৬ষ্ঠ অধ্যায়

     যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সফলতার শর্তাবলী  
                   যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী । যাকে টিকিয়ে রাখতে হলে কতগুলো শর্ত অবশ্যই পালন করতে হয় । নি¤েœ যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের সফলতার শর্তাসমূহ প্রদত্ত হলো ঃ-

    ১. যুক্তরাষ্ট্রীয় মনোভাব ঃ
                 এ ব্যবস্থাকে সাফল্য মন্ডিত করার প্রথম এবং প্রধান উপাদান হলো, অঙ্গরাজ্য গুলোকে একটি কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকার ইচ্ছা পোষন করতে হয় ।  কিন্তু অঙ্গরাজ্যগুলো যদি এ মনোভাব পোষন না করে তবে  যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর নয় ।
     আবার শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকার ইচ্ছা পোষন করলেও চলবে না । সেই সাথে এদের আঞ্চলিক স্বাধীনতা রক্ষা এবং নিরাপদ রাখতে হবে ।
                  
    ২.ভৌগলিক সান্নিধ্য ঃ 
              যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার এর সফলতার আরেকটি প্রধান অন্যতম শর্ত হলো ভৌগলিক সান্নিধ্য । সেসব অঙ্গরাজ্য যুক্তরাষ্ট্র গঠন করতে আগ্রহী সেসব রাজ্যে ভৌগলিক সান্নিধ্য  মিল থাকা আবশ্যক ।  কেননা অঙ্গরাজ্যগুলো দুরবর্তী হলে একে আপরের নৈকট্য লাভ করতে পারে না । এজন্য ভৌগলিক সান্নিধ্য অপরিহার্য ।  
    ৩.জাতীয়তা বোধের সুদৃঢ় বন্ধন ঃ
                  যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার  এর সফলতার আরেকটি উপাদান জাতীয়তা বোধের সুদৃঢ় বন্ধন  । যার কারণ হলো  জাতীয়তা বোধের সুদৃঢ় বন্ধন না থাকলে  রাষ্ট্রের সংহতি নষ্ট হয়ে যায় ।
     অধ্যাপক ডাইসী বলেন “ রাজ্যগুলোর মধ্যে ভৌগলিক, ঐতিহাসিক , বংশগত ও অন্যার্ন ঐক্য বিদ্যমান থাকতে হবে যেন প্রত্যেক জন এক জাতীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ হয় ।


    ৪. আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলঃ
               এ সময় কার ব্যবস্থাকে সার্থক করে তুলতে হলে সকলকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে । যুক্তরাষ্ট্রীয় আইন নীতি মানার মৌনভাবের উপরে বহুলাংশে নির্ভরশীল । কোনটি সংবিধান মোতাবেক কোনটি সংবিধান বর্হিভূত পরিচালিত হচ্ছে তা সুপ্রীমকোট বিচার করবে । 
    এবং বিচারালয় কর্তৃক যেকোন সিদ্ধান্ত গৃহিত হোক তা মেনে চলার স্বাধীনতা থাকা প্রয়োজন ।

    ৫.    শাসনতন্ত্রের প্রাধান্য ঃ
                যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবন্থায় শাসনতন্ত্রকে দেশের সর্বোচ্চ ও পবিত্রতম আইন বলা হয় । এবং শাসন তন্ত্রই যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অভিভাবক  এজন্য শাসনতন্ত্র যাতে সুস্পষ্ট হয়   তার জন্য এটি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন । তাছাড়া এটাও লক্ষ্য রাখতে হবে জাতির যেকোন জরুরি প্রয়োজনে যেন পরিবর্তন করা যায় । 


    ৬.    অঙ্গরাজ্যের সমতা:
                     যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার এর সফল করতে হলে যে সকল উপাদান তাদের রাজ্য গুলোকে একত্রিত করতে সবচে বেশি সাহায্য করে তার মধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সাদৃশ্য একান্ত উল্লেখযোগ্য ।
     অধ্যাপক হুইলার বলেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কায়েম করতে ইচ্ছুক তাদের মধ্যে অবশ্যই সামাজিক ও রাজনৈতিক ঐক্য থাকা দরকার । আবার শুধুমাত্র অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সাদৃশ্য থাকলেই হবে না । তারা যাতে স্বৈরাচারী না হতে পারে সেদিকে সমান দৃষ্টি দিতে হবে ।

    ৭.    সমজাতীয়তার মনোভাব ঃ
                     যুক্তরাষ্ট্রীয় বিভিন্ন রাজ্যের অধিবাসীদের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি, আচার আচরন ও রীতিনীতিগত ভাবে  এক ও অভিন্ন হতে হবে।
     বাহ্যিক উপাদানের সাথে ভাবগত ঐক্য এবং ঐকানুভুতির ভিত্তিতে এক জাতীয় ভাবের সৃষ্টি হয় । যা যুক্তরাষ্ট্রের সমজাতীয়তার মনোভাব সৃষ্টি করে ।
                                ৭ম অধ্যায়    

    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের গুনাবলি ঃ-
                    বহুল আলোচিত ও কৌশলগত কারনে বর্তমান সময়ের একটি জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা হলো যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা ।  নি¤েœ এ ধরনের শাসন ব্যবস্থার গুনাবলী সমূহ আলোচনা করা হলো ।


    ১.কেন্দ্রিয় সরকারের দায়িত্ব হ্রাস ঃ
                 যুক্তরাষ্ট্রীয় শাষন ব্যবস্থায় সংবিধানের আলোকে প্রদেশ গুলোকে দায়িত্ব বন্টন করা হয় । ফলে কেন্দ্রীয় সরকার অধিকতর গুরুত্বপর্ণ কাজে মনোযোগী হতে পারে । এর ফলে উভয় প্রতিষ্ঠানই সঠিক  ও সুচারু ভাবে কাজ প্ররিচালনা করতে পারে । 

    ২.    ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বৈরশাসন রোধ ঃ
                      কেন্দ্রিয় ও আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বন্টনের কালে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য স্থাপিত হয় এবং সংবিধান অনুসারে প্রশাসন চালিত হয় । ফলে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বৈরশাসন রোধ করা সম্ভব হয় । 
     

    ৩.শাসন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি ঃ
                 যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার  ব্যবস্থায়  দক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলা সম্ভব হয় । কেননা এ ব্যবস্থায় কেন্দ্র ও আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সাংবিধানিক ভাবে ক্ষমতা বন্টনের ফলে কোন সরকারের উপর অতিরিক্ত কার্যভার আরোপিত হয় না । 
    ফলে সকলেই ক্ষমতার সাথে শাসন কার্যে মনোযোগী হতে  পারে  । এতে করে শাসন কার্যের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । 

    ৪.অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঃ
               যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় জাতীয় ও আঞ্চলিক স্বার্থের মধ্যে সমন্বয় সাধনের সুযোগ পায় । কেন্দ্রীয় সরকার আর্থিক সহযোগিতা ও সাহায্য করার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পারে  । ফলে জাতীয় অগ্রগতি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় । 

    ৫. পরীক্ষার সুযোগ ঃ
    এর অন্যতম গুন হলো এখানে আইন পরীক্ষা নিরীক্ষা করার সুযোগ থাকে । একটি অঙ্গরাজ্যের কোন একটি নতুন আইন প্রয়োগ করে তার কার্যকারিতা বা গুনাগুন যাচাই করা যায় এবং ভালো হলে তা অন্য রাজ্যে প্রয়োগ করা যায় ।


     ৬.জনগনের অংশগ্রহন ঃ 
                এ ধরনের শাসন ব্যবস্থায় ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরন ঘটে । এতে  সার্বিকভাবে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাজে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়া যায় । এর জন্য জনগনের অংশগ্রহন বৃদ্ধি পায় । 

    ৭. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি ঃ 
                 যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার  ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি পায় । সুশাসন স্বদেশপ্রেম, নাগরিকদের মনস্তাত্ত্বিক সন্তুষ্টি, বৃহৎ রাষ্ট্রের নাগরিকত্বের গৌরব বোধ প্রভৃতি যুক্তরাষ্ট্রে অর্জিত হয় । 

    ৮.    বৃহৎ রাষ্ট্রের জন্য সহায়ক ঃ
             এরূপ শাসন ব্যবস্থা বৃহৎ রাষ্ট্রের জন্য উপযোগী । কারন বৃহৎ রাষ্ট্রকে একটি মাত্র কেন্দ্র থেকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা খুব বেশি কঠিন  ।   যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় প্রশাসনিক একক কে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র  ভাগে ভাগ করে শাসন কার্য পরিচারনা কার সহজ হয় ।
    ৯.    ক্ষতি ও অপচয় রোধ :  
                  যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় জাতীয় ও আঞ্চলিক স্বার্থের মধ্যে সমন্বয় সাধনের সাথে সাথে ক্ষতি ও অপচয় রোধ করা সম্ভব হয় ।

    ১০ আতœরক্ষা ঃ 
            ক্ষুদ্র ও দূর্বল রাষ্ট্র গুলো ঐক্যবদ্ধ হলে শক্তি বৃদ্ধি পায় । ফলে যে কোন শত্রুর মোকাবেলা তারা আতœরক্ষা করতে পারে ।  
                               ৮ম অধ্যায় 

    যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের দোষসমূহ ঃ 
             যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় যেমন গুনাবলী রয়েছে তেমনি বেশ কিছু দোষ ত্রুটি রয়েছে । নি¤েœ যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের দোষাবলী সম্পর্কে আলোচনা করা হল । 

    ১.    দুর্বল শাসন ব্যবস্থা ঃ
             এ ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের কেউ  পূর্ন ক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ পায় না ।  অঙ্গরাজ্যগুলোর স্বাধীন সত্তা ও  স্বতন্ত্র স্বীকার করা হয় । কেন্দ্রীয় সরকার আঞ্চলিক সরকার গুলোকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে না ।
     এরফলে সামগ্রিক ভাবে যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন সুদৃঢ় করতে পারে না । ফলে সরকার দুর্বল হয় । 

    ২.    পরস্পর বিরোধি আইন ঃ
              এরূপ শাসন ব্যবস্থায় অনেকগুলো রাজ্য সরকার এর অস্তিত্ব থাকায় পরস্পর বিরোধী আইন প্রণীত হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকে  । এ অবস্থায় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মধ্যে সমন্বয় সাধন অসম্ভব হয়ে পড়ে । ফলে নানা রকম অশান্তি গোলযোগ সৃষ্টি হয় ।


    ৩.    ব্যয়বহুল ঃ
    এই শাসন ব্যবস্থা ব্যয়বহুল । একটির পরিবর্তে একাধিক সরকার থাকে বলে যুক্তরাষ্ট্রে সরকার পরিচালনা ব্যয় বহুল ।
     ফলে এটি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দুর্বল রাষ্ট্রের জন্য বেশ সমস্যার সৃষ্টি করে ।

    ৪.    জরুরী অবস্থার অনুপযোগী ঃ
           এই সরকার  ব্যবস্থা  জরুরী অবস্থার অনুপযোগী   । বিপদজনক পরিস্থির সৃষ্টি হলে এ সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না । ফলে অঙ্গরাজ্যের মধ্যে মতানৈক্য সৃষ্টি হয় । যা জাতীয় স্বার্থহানি ঘটায় । 

    ৫.    দায়িত্ব হীনতা ঃ 
                   যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় সরকার এবং আঞ্চলিক সরকার গুলোর মধ্যে ক্ষমতার বন্টন থাকে না ।  সরকার দ্বৈত বলে  দায়িত্ব হীনতার সম্ভাবনা থাকে । 

    ৬.    আদালতের ভূমিকা ঃ 
          এ শাসন ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালতের প্রাধান্য থাকে । শাসন তন্ত্রের ব্যাখ্যা কারক ও অভিভাবক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত অনেক সময় রক্ষণশীল ভূমিকা পালন করে ।
     ফলে কোন প্রগতিশীল আইন প্রবর্তন করা যায় না ।

    ৭.    দীর্ঘ সূত্রতা ঃ 
                 যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রীতা কাজ করে । বিধায় জরুরী ও সংকট কালে  দীর্ঘসূত্রীতা কারণে সংকট সমাধানে বিলম্ব হয় । 
    কারন এ ব্যবস্থায় বিদ্যমান দ্বৈত প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারের মতামত ও সহযোগীতা পেতে অনেক সময় নষ্ট হয় ।


    ৮.    অনমনীয়তা ঃ 
                 যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় অনমনীয়তা পরিলক্ষিত হয় । কারণ এ সংবিধানের ন্যায় প্রশাসনের কাঠামো দুষ্পরিবর্তনীয় । যে কারণে এগুলোকে সহজে পরিবর্তন করে প্রয়োজনের সাথে খাপ খাওয়া সম্বব হয় না । 
    যার ফলে অন্যার্ন শাসন ব্যবস্থার চাইতে অনেক বেশি নমনীয়তার ভাব পরিলক্ষিত হয় । 


    ৯.    পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সমস্যা ঃ
           এ ব্যবস্থায় আন্তর্জাতিক সন্ধি চুক্তি প্রভৃতি পররাষ্ট্র সংকান্ত বিষয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয় । কেন্দ্র ও অঙ্গরাজ্য সমূহের মধ্যে মতাদর্শগত বিরোধ দেখা দিতে পারে । 

    কেননা অঙ্গরাজ্যগুলো দৃষ্টিভঙ্গি এক নয় বলে পররাষ্ট্র নীতি গ্রহণ ও কার্যকারিতার সমস্যা দেখা দেয় ।

    ১০.শাসন ব্যবস্থা মন্থর গতিসম্পন্ন ঃ
                    এরূপ শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার গুলো পৃথক সরকার থাকার ফলে ক্ষমতা বন্টনের ব্যাপারে 
    এবং বিভিন্ন সরকার এর  ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ জটিলতার সৃষ্টি হয় । 
    আবার অনেক সময় কোন একটি বিশেষ কার্য সম্পাদনের দায়িত্ব কোন সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ অযথাই সময়ের অপচয় হয় ।
                     
    “

    ট্যাগ সমূহ

    লেখক সম্পর্কে

    জাহিদুল

    জাহিদুল

    আমি একজন প্রযুক্তি ও কনটেন্টপ্রেমী ব্যক্তি, যিনি বাংলা ভাষাভাষী ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ, নির্ভুল ও তথ্যসমৃদ্ধ ডিজিটাল সেবা তৈরি করতে আগ্রহী। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, SEO-ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট, ইসলামিক তথ্যভিত্তি...

    ৯২ টি পোস্ট
    9 months ago
    লেখককে অনুসরণ করুন